বিজ্ঞপ্তি ::
কপিলমুনি ইউপি সদস্যসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রেজাকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির ৫০/৬০ হাজার টাকা ও ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের টিআর কর্মসূচীর বরাদ্দকৃত ৫২ হাজার টাকার মধ্যে ৫/৭ভ্যান ভ্যান বালু দিয়ে সমুদয় টাকা আতœসাৎ করেছেন বলে স্থানীয় জনৈক হালিম গংয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনলাইন দৈনিক প্রবাসীর দিগন্ত, রাতদিন নিউজ, দৈনিক খুলনা প্রতিদিনসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন অভিযুক্ত ইউপি সদস্য শেখ রবিউল ইসলাম।
তিনি বলেন, ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থে ব্যর্থ হয়ে ও কূচক্রীদের প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে স্থানীয় রেজাকপুর গ্রামের জনৈক হালিম তার স্ত্রী, ভাইসহ স্বজনদের দিয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক তথ্য উল্লেখ করে আমাকে ও আমার সাথে স্কুলের দাতা সদস্য রবিউল গাজী ও স্কুলের কর্মচারী সবুজ মোড়লের নামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর মিথ্যা অভিযোগ করেছে।
প্রকৃতপক্ষে আমি ইউপি সদস্য হিসেবে রেজাকপুর কাশিমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সদস্য, টিআর কর্মসূচীর বরাদ্দকৃত ৫২ হাজার টাকার কাজ স্কুলের প্রধান শিক্ষক. সভাপতির তত্ত্বাবধায়নে এসএমসির সদস্যরা সমন্বিতভাবে বালুভরাট করেছে। যেখানে কোন প্রকার দূর্নীতি-অনিয়ম হয়নি বা হওয়ার কথাও না। যা সুষ্ঠু তদন্তে প্রতীয়মান হবে। এছাড়া স্কুলের প্রাচীর নির্মাণকাজ বাস্তবায়নে এসএমসি ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে রেজুলেশনপূর্বক কর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলীর তত্ত্বাবধায়নে স্থানীয় হালিম মোড়ল গাছটি ক্রয়পূর্বক কাঠব্যবসায়ী মন্টু মোল্লার কাছে বিক্রি করেন। এর সাথে আমি বা এসএমএসসির কোন সদস্য কোনভাবেই জড়িত নই। তাছাড়া গত সরকারের শাষনামলে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পর টাকা আত্নসাৎ করেছি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যা মোটেও সত্য নয়।
কেননা, গত সংসদ নির্বাচনে আমি প্রত্যক্ষভাবে নৌকার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন করে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের বিরাগভাজন হই। সে হিসেবে আমি স্বদেশে প্রবাসীর ন্যায় জীবন-যাপন করেছি যা সর্বজন বিদিত।
আমি প্রকাশিত সংবাদগুলোর তীব্র প্রতিবাদ ও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য যথাযথ কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। পাশাপাশি সাংবাদিক ভাইদের প্রতি সংবাদ পরিবেশনে আরো যত্নশীল হওয়ার বিনিত অনুরোধ করছি।
ধন্যবাদান্তে
শেখ রবিউল ইসলাম
২ নংওয়ার্ড সদস্য, কপিলমুনি ইউপি, পাইকগাছা, খুলনা।