মঙ্গলবার (২০ জুন) বেলা ৩ টায় শহরের বৃন্দাবন আখড়া থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে জগন্নাথদেবের একটি বিশাল রথযাত্রা বের হয়। ফুল ফল সুসজ্জিত হয়ে রথটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়। শতশত নারী-পুরুষ ও শিশু ভক্তবৃন্দ রথযাত্রায় অংশ নেয়।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস মতে, জগতের নাথ যিনি তিনি-ই জগন্নাথ। ভগবান শ্রী জগন্নাথদেব, ভাই বলভদ্র ও বোন দেবী সুভদ্রাকে নিয়ে কাঠের তৈরি সুসজ্জিত রথে ভ্রমনের নাম রথযাত্রা। দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর কৃষ্ণের বৃন্দাবন প্রত্যাবর্তনের স্মরণে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন, রথযাত্রায় ভগবান জগন্নাথদদেবের দর্শণ পেলেই মানুষের মুক্তি লাভ হয়। অর্থাৎ পৃথিবীতে মানুষকে আর পুন:জন্ম নিতে হয় না। আর এ কারনেই রথযাত্রায় রথের দড়ি টানতে হাজারো ভক্তদের সমাগম হয়।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়ায় আনন্দঘন পরিবেশে এই রথযাত্রা উত্সব পালিত হয়। দাদা বলরাম, বলভদ্র এবং বোন সুভদ্রাকে নিয়ে মাসি গুণ্ডিচার বাড়ি যান, আগাম ২৮ জুন, মঙ্গলবার উল্টো রথযাত্রার মধ্যমে মাসির বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরে আসবে জগন্নাথদেবের রথ।