1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মনিরামপুরবাসীর সেবায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী কামরুজ্জামান শাহীন বেদকাশীর ৩২ কিঃ মিঃ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও স্লুইচগেটের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব : প্রধানমন্ত্রী রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদলকর্মীকে গুলি করে হত্যা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কিউইদের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজন এফ-২২ স্টিলথ যুদ্ধবিমান অবতরণ জামায়াত আমিরের শারীরীক অবস্থার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় সাবেক এমপির নিখোঁজ জামাতাকে উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ইরানের মন্ত্রী-কর্মকর্তাদের ওপর নিউজিল্যান্ডর নিষেধাজ্ঞা ডুমুরিয়ায় পোকার আক্রমণ ঠেকাতে আলোক ফাঁদ

বেদকাশীর ৩২ কিঃ মিঃ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও স্লুইচগেটের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৯ বার পঠিত
pubo-15832
  • আক্তারুল ইসলাম::

সাতক্ষীরা ও খুলনার উপকূলীয় কয়রা উপজেলার বেদকাশীর দুই পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতাক্ষ নদ ও শাকবাড়িয়া নদী।এই নদীর প্রায় ৩২ কিঃ মিঃ বেড়িবাঁধে ব্লক ও সুইচগেট তৈরির কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের প্রায় ৪৩ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে পাউবো সূত্রে জানা গেছে।

এই ৩২ কিঃ মিঃ বেড়িবাঁধের প্রায় ২২কিঃ মিঃ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ -২। আর বাকি বেড়িবাঁধের দায়িত্বে রয়েছেন খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-২।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্রমাগত ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের ফলে প্রতিবছর নদীর পানিতে প্লাবিত হয় সেখানকার হাজার হাজার বসতি। লবণাক্ত পানি থেকে লোকালয়কে রক্ষা করতে সেখানে নদীর পাড়ে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, যা পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে খুলনার কয়রা উপজেলার দুটি পোল্ডারে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তারা ১৮টি স্থান নির্ধারণ করেছিল, যা মেরামতের জন্য নকশা এবং কাজের প্রাক্কলনও তৈরি করেছিলেন পাউবোর প্রকৌশলীরা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কয়রা উপজেলার বেদকাশীর ১৪/২ পোল্ডারের গাববুনিয়া ও ১৪/১ পোল্ডারের শাকবাড়িয়া অংশের ব্লক তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ায় বাঁধের পাশে ব্লক ও জিও ব্যাগ বসানোর কাজ চলমান রয়েছে। এ সময় স্থানীয় অনেকে জানান,বাঁধের কাজ খুব দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে,কাজ নিয়ে আমাদের কোন অভিযোগ নেই, আমাদের দেখা চোখে কাজের মান অনেক ভালো।এই বাঁধের কাজ শেষ হলে আমাদের দুঃখ দুর্দশা লাঘব হবে। আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

pubo-15833

এদিকে এরই মধ্যে উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চোরামুখা এলাকায় বেড়িবাঁধের চারটি স্থানে কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তাদের দাবি, চারটি স্থানে ১ হাজার ২০ মিটার বাঁধে রিং-ডাইক ও অস্থায়ী ঢাল সংরক্ষণের কাজ করা হয়েছে। এর জন্য বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ ২২ হাজার টাকা।

বরগুনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মামুন এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার জানান, পাউবোর ডিজাইন অনুযায়ী ইনলেটের ১০ টা গেটের কাজ প্রায় শেষের দিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে যথাসময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে।

উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের হরিহরপুর এলাকায়ও চলছে এই প্রকল্পের কাজ। সেখানে দেখা গেছে, বাঁধের ঢালে সিমেন্টের ব্লক ও জিও ব্যাগ সাজানোর কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলেছে ।

ওই গ্রামের বাসিন্দা চারু মণ্ডল বলেন, ‘এখানে বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে, কাজ খুব ভালো হচ্ছে ।

এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের মেদেরচর এলাকায় বাঁধের মাটির কাজও চলমান রয়েছে।

উত্তর বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য গণেশ মণ্ডল বলেন, ‘আমার বাড়ির পাশে শাকবাড়িয়া ও গাতিরঘেরি এলাকার তিনটি স্থানে কাজ হয়েছে। ঠিকাদারের লোকজন খননযন্ত্র দিয়ে ঢালের মাটি কেটে বাঁধ উঁচু করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী ১০০ মিটার দূর থেকে মাটি এনে বাঁধের ঢাল ও উচ্চতা বাড়ানোর হয়েছে।

খুলনার কয়রা উপজেলার বেড়িবাঁধ পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের (পওর) দায়িত্বে রয়েছে সাতক্ষীরার পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ ও খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ আমরা তাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ।

খুলনা পাউবোর ২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জহির মাজহার বলেন, কয়রার জোড়শিং থেকে আংটিহারার গোলখালি পর্যন্ত ১৪/১ পোল্ডারের বেড়িবাঁধে রেগুলেটর ৪টা এবং ইনলেটের ১০ টা গেটের কাজ প্রায় শেষের দিয়ে কিছু জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় কাজ সমাপ্ত করতে একটু বিলম্ব হবে। ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪টি প্যাকেজের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘আগের অর্থবছরের কাজগুলোতে প্রাক্কলন ও নকশা অনুযায়ী হয়েছে। চলমান অর্থবছরের কাজেও সমস্যা নেই। আমরা চেষ্টা করছি আগের ধারা অব্যাহত রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে । এখন যেভাবে নকশা ও প্রাক্কলন তৈরি হবে, তা বরাদ্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই করা হবে।

সাতক্ষীরা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া বলেন,বেড়িবাঁধের কাজ আমি সহ কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক তদারকি করছে। ঠিকাদারের নিকট থেকে শতভাগ কাজ বুঝে নেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রকল্প মেয়াদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবো ইনশাল্লাহ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর