1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বেনাপোল কাস্টমসের জব্দ কোটি টাকার পণ্য গায়েব, কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের নামে মামলা অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর স্মরণে মিশিগানে দোয়া মাহফিল অর্থের অভাবে মাকে মাঠে এনে খেলা দেখাতে পারিনি : কেপ ভার্দের নায়ক ভোজিনিয়া পাইকগাছায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সৈয়দপুরে ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের উদ্বোধন সুন্দরবনের অজগার সাপ লোকালয়ে উদ্ধারের পর গহীনে বনেই অবমুক্ত কয়রায় জামায়াত কর্মীকে ‘এমপির এপিএস’ বলে অপপ্রচার, এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ সৈয়দপুরে ক্লাশ চলাকালে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় ভবন পরিত্যক্ত ঘোষনা, সীলগালা কয়রায় ইউপি সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ে প্রশিক্ষন শার্শা উপজেলা কিশোর-কিশোরী ক্লাব ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা

সাতক্ষীরা-১ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী থাকায় নৌকার বিজয়ে ধোঁয়াশা!

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৯৫ বার পঠিত
tal-3993

কে এম শাহীনুর রহমান, (তালা) সাতক্ষীরা::


আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীর ব্যাপারে নমনীয় থাকবে আওয়ামী লীগ। এমন ঘোষণার পরে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে দলীয় মনোনায়ন পাওয়ার পরেও দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে পড়েছেন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

ইতোমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনায়নপত্র জমা দিয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন দলের তিন জন প্রার্থী। দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি একই দলের সতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে থাকার কারণে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আন্তদলীয় কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে ওঠারও আশংকা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

উপজেলা কমিটি থেকে শুরু করে সকল ইউনিয়ন কমিটির মধ্যে গ্রুপিং স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ফলে নৌকার বিজয় নিয়ে রীতিমত সংশয় দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দল না মিটলে নৌকার ভরাডুবি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সর্বশেষ দলের এমন অবস্থায় বেশ খোশ মেজাজে রয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী। বিশেষ করে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থীর পাশাপাশি একই ঘরানার স্বতন্ত্র প্রার্থী মাঠে থাকলে সেক্ষেত্রে জাতীয় পার্টির জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশী বলেও মনে করা হচ্ছে সাধারণ ভোটারদের পক্ষে।

জানা যায়, চলতি বছরের ২৭ নভেম্বর কলারোয়া উপজেলার সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মদ স্বপন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনায়ন পান। নৌকার কাঙ্খিত টিকিট পেয়েও টেনশনে আর অস্বস্তিতে আছেন তিনি। ইতোমধ্যে দলীয় তিন হেভিওয়েট নেতা গত ৩০ ডিসেম্বর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনায়ন জমা দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ।

তারা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মুজিবর রহমান, তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম, জেলা আলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সরদার মুজিব।

এদিকে ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন দলীয় মনোনায়ন পাওয়ার পরে দ্বন্দ আর দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে তালা ও কলারোয়া উপজেলার আওয়ামী লীগ। এমনকি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনের বিরুদ্বে নানা অনিময়ের অভিযোগ তুলে তার মনোনায়ন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন কেউ কেউ। ইতোপূর্বে কলারোয়ার উপজেলা চেয়ারম্যানের দলীয় মনোনায়ন পেয়েও দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে পরাজয় বরণ করেছিলেন বলে জানা গেছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সরদার মুজিব বলেন, এলাকায় তার কোনো গ্রহণ যোগ্যতা নেই। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনায়ন পেয়ে দলীয় সতন্ত্র প্রার্থীর কাছে ৭৫ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৭২ টি কেন্দ্রে পরাজিত হয়েছিলেন। এছাড়া জননেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় তিনি সাক্ষী হয়েও বিএনপি নেতা ও তৎকালীন সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের নেতৃত্বে হাওয়া ভবনে গিয়ে স্বাক্ষী এফিডেভিট করে দিয়েছিলেন। তিনি জামায়ত বিএনপির প্রশ্রয়দাতা হিসাবে এলাকায় বেশ আলোচিত। ২০১৩ সালে কলারোয়ার উপজেলায় ৫ জন আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যা করে জামায়ত-বিএনপির সন্ত্রাসীরা। দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও এই হত্যাকান্ডের কোন বিচার হয়নি। বর্তমান সংসদ সদস্যের সাথে স্বপন হাত মিলিয়ে মামলার আসামীদের প্রশ্রয় দিয়ে তাদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে রেখেছেন বলেও জানান তিনি।

তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ নুরুল ইসলাম বলেন, স্বপন কোন জনপ্রিয় লোক না। কলারোয়া মানুষ তার কর্মকান্ড সম্পর্কে জানে বলেই তার নির্বাচনী প্রচারণায় কলারোয়ার লোক থাকে না। বিগত দিনে সে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিক নিয়ে ৩৮ হাজার ৯০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন। তাকে মনোনায়ন দেওয়ার কারণে নেতারকর্মীদের মনে হতাশা বিরাজ করছে। নেত্রী আমাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে আমরা প্রার্থী হয়েছি। আগামী ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমরা নেত্রীর সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় রয়েছি।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ দিদার বখত্ বলেন, জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি।

সে বিবেচনায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে আমার গ্রহণযোগ্যতাও অন্য প্রার্থীর থেকে বেশী। আমি বিশ্বাস করি তালা-কলারোয়ার মানুষ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।

ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন বলেন, দলীয় সভানেত্রী অনেক যাচাই বাছাই করে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। নৌকার সামনে কোন প্রার্থী টিকতে পারবে না।

তিনি বলেন, আমার শ্বশুর জননেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার বাদী ছিলেন। তার মৃত্যুর পরে আমি এভিডেভিট করে মামলার বাদী হয়েছি। দীর্ঘ ২১ বছর মামলা পরিচালনা করার পরে সব সাক্ষী একত্রিত করে কাঙ্খিত রায় এনে দিয়েছি। যারা এখন বিভ্রান্তিমূলক কথা বার্তা বলে বেড়াচ্ছে তাদের চরিত্র সম্পর্কে নেত্রী ভাল জানেন। আমি নৌকার মনোনায়ন পাওয়ার পরে তালা ও কলারোয়ার মানুষের মাঝে যে উল্লাস দেখেছি, তার সামনে কোন প্রার্থী দাঁড়াতে পারবেনা বলেও মনে করেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর