1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মিশিগানে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্ত ও নতুন কমিটি গঠনে সংবাদ সম্মেলন মিথ্যা নারী কেলেংকারীর নিউজের প্রতিবাদে ডুমুরিয়ায় সংবাদ সম্মেলন রেলওয়ে কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা ৩ গুণ বাড়ানো হবে—সৈয়দপুরে ডিজি আফজাল হোসেন সৈয়দপুরে আল-সামস্ হোটেলের মালিক সালাহউদ্দিনের ইন্তেকাল রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ কপিলমুনিতে ছোট ভাইয়ের ধাক্কায় বড় ভাই নিহত মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় অগ্নিকান্ডে ১৩টি রুম ভষ্মীভূত! সাতক্ষীরায় গহনা ছিনতাইকালে নারীর মাথা ও কপাল ইট দিয়ে থেতলে হত্যা পাকিস্তানে ফিরলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি, ফের যাচ্ছে রাশিয়া পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে বাল্যবিবাহ পন্ড, ভূয়া কাজী ও বরকে জরিমানা

কপিলমুনি প্রেসক্লাবকে নিয়ে বিতর্কিত অপপ্রচার, সাধারণ সভায় মিলন দাশকে বহিষ্কার

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৩৬ বার পঠিত
kapilmuni-press-club-10737

নিজস্ব প্রতিবেদকঃঃ


খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব দৈনিক দিনকালের উপজেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো: আমিনুল ইসলাম বজলুর বিরুদ্ধে মনগড়া, মিথ্যাচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগসহ ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন কপিলমুনি প্রেসক্লাবকে প্রশ্নবিদ্ধ ও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগে বুধবার রাত ৮টায় কপিলমুনি প্রেসক্লাবের এক জরুরী সাধারণ সভা ক্লাবের নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

ক্লাবের আহ্বায়ক দৈনিক ইত্তেফাকের উপজেলা প্রতিনিধি এইচ,এম শফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় গুরুত্বপূর্ণ ও দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন, ক্লাবের সিনিয়র সদস্য এস, এম, লোকমান হেকিম, জেষ্ঠ্য সাংবাদিক দৈনিক রানারের এইচ,এম, এ হাশেম, দীপ্তনিউজ২৪.কম এর সম্পাদক, দি বাংলাদেশ টুডে, দৈনিক নয়াদিগন্ত’র উপজেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক দেশ তথ্য’র জেলা প্রতিনিধি শেখ দীন মাহমুদ। বক্তব্য রাখেন, মো: দৈনিক পত্রদূত, প্রজন্ম৭১ এর প্রতিনিধি মো: আব্দুস সবুর আল-আমীন, দৈনিক দৃষ্টিপাতের প্রবীর বিশ্বাস জয়, দৈনিক জন্মভূমি প্রতিনিধি তপন পাল, সংযোগ বাংলাদেশের মো: তহিদুজ্জামান মুকুল, খুলনা টাইমস’র স্টাফ রিপোর্টার, খোলাকাগজ, খুলনা গেজেটের উপজেলা প্রতিনিধি ও পিপিবিডি’র খুলনা জেলা করেসপন্ডেন্ট শেখ নাদীর শাহ্, দৈনিক সময়ের খবরের অলি উল্যাহ গাজী, দৈনিক বাংলারভোর’র এস,এম নজরুল ইসলাম, দৈনিক খুলনা ও যশোর বার্তার মনিরুল ইসলাম, দৈনিক দৃষ্টিপাতের হোসেন আলী বিশ্বাস, দৈনিক সত্যপাঠের কামরুল ইসলামসহ ক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যবৃন্দ।

এসময় সাংবাদিক নের্তৃবৃন্দ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ পত্রিকান্তে ঐতিহ্যবাহী সংগঠন কপিলমুনি প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম বজলুসহ ক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নজণিত নানা বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

এসময় তারা আরো বলেন, গত ৬ সেপ্টেম্বর সংগঠনের সাবেক সভাপতি জি,এম হেদায়েত আলী টুকুসহ কার্যকরী পরিষদের ৬ জন সদস্য পদত্যাগ করে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। এরপর প্রেসক্লাব সদস্যদের একাংশ গত ৯ সেপ্টেম্বর ক্লাবের প্রগতিশীল সাংবাদিক সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত আহ্বায়ক কমিটিতে নিজেদের অবস্থানসহ কমিটি মন:পূত না হওয়ায় এর প্রায় একমাস পর স্থানীয় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গনে কথিত সভার মাধ্যমে ৫ সদস্য বিশিষ্ঠ একটি বিদ্রোহী আহ্বায়ক কমিটির ঘোষণা দেয়। প্রেসক্লাবের বাইরে বসে বিতর্কিত কমিটি ঘোষণার বিষয়টি ঐসময় ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্লাবের সুনাম ক্ষুন্ন, কমিটিকে বিতর্কিত সহ গঠনতন্ত্র পরিপন্থী বিভিন্ন কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে পাল্টা কথিত কমিটির আহ্বায়ক এস,এম আব্দুর রহমান, সদস্য সচিব জি,এম মোস্তাক আহম্মেদসহ ৩ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপরও তারা থেমে থাকেনি।
সর্বশেষ গত সোমবার তারা প্রেসক্লাব চত্বরকে সভার ভেন্যু দেখিয়ে বিতর্কিত আহ্বায়ক কমিটির ব্যানারে আরো একটি কথিত সভা দেখিয়ে সেখানে ক্লাবের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম বজলু ও তার সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন যুবদলকে কলুষিত করে সামাজিক যোগাযোগ্য মাধ্যমসহ বেশ কিছু পত্রিকায অপপ্রচার প্রকাশ করে। এতে আমিনুল ইসলাম বজলু, প্রেসক্লাব ও জাতীয়তবাদী যুবদলের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষুন্ন হয়। এছাড়া ঐ খবরে তারা আরো দাবি করেন, আমিনুল ইসলাম বজলুর নেতৃত্বে এলাকার উচ্ছৃঙ্খল যুবকদের নিয়ে জোরপূর্বক হেদায়েত আলী টুকু, মিলন দাশ ও মুন্সী রেজাউল করিম মহব্বতকে ভীতির মুখে পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর আদায় করা হয়।

এমন দাবির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে উল্টো প্রশ্ন রেখে আরো বলেন, তাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায় করলে তারা পূর্বের কমিটিকে অস্বীকার করে প্রায় একমাস পর পাল্টা বিদ্রোহী অপর একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করলেন কেন? তাদেরকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হলে তারা তো পূর্বের কমিটির ব্যানারে সভা আহ্বান করতে পারতেন। মূলত আহ্বায়ক কমিটিতে নিজেদের চাহিদা অনুযায়ী পদ বঞ্চিত হয়ে কতিপয় বিপদগামীদের সাথে নিয়ে প্রেসক্লাবকে প্রশ্নবিদ্ধ তরতে তারা রীতিমত বিভিন্ন উষ্কানিমূলক অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন। তাদেরকে সঠিক সত্যের পথে আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সংগঠন সম্পর্কে বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার, নানা দূর্নীতি-অনিয়মের সাথে জড়িত সর্বোপরি গঠনতন্ত্র পরিপন্থি কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে মিলন কুমার দাশকে তার সদস্য পদ থেকে অব্যাহতির জোরালো প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এরপর সর্ব সম্মতিক্রমে তাকে প্রেসক্লাব থেকে আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

এছাড়া আহ্বায়ক কমিটি থেকে বিপথগামী দুইজন সদস্যকে বাদ দিয়ে তহিদুজ্জামান মুকুল ও শেখ নাদীর শাহ্কে স্থলাভিষিক্ত করা হয়।

এছাড়া ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটিকে প্রশ্নবিদ্ধ ও প্রগতিশীল চেতনার জেষ্ঠ্য সাংবাদিকদের বহিরাগত উল্লেখ করে ক্লাব অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ করায় তাদেরকে ধিক্কার জানিয়ে ভবিষ্যতে জনপদের পবিত্র ও ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন কপিলমুনি প্রেসক্লাবকে বিতর্কিত ভূমিকায় না জড়িয়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি সুরক্ষার পাশাপাশি সংগঠন সংশ্লিষ্ট সকল প্রকার বৈষম্য দূর করে ঐক্যবদ্ধ পথ চলার আহ্বান জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর