নীলফামারীর সৈয়দপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা বিশালিএকটি মাদকদ্রব্য গাঁজার চালান আটক করেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ভোরে শহরের নিয়ামতপুর বাসটার্মিনাল সংলগ্ন সুমনা ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি বাসে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে ২৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এসময় জুয়েল মিয়া (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সৈয়দপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। ওই মামলায় আটক জুয়েল মিয়াকে গ্রেফতার দেখিয়ে নীলফামারী আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ পরিদর্শক সাকিব সরকার জানান, বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তারা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন পঞ্চগড়গামী একটি বাসে মাদকের চালান আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ভোরে উল্লিখিত এলাকায় অবস্থান নেয় সংস্থাটির একটি চৌকস টিম। এরপর সোর্সের মাধ্যমে নিশ্চিত হন মাদকের চালান কোন গাড়ীতে আসছে। পরে সুমনা ফিলিং স্টেশনের সামনে গাজীপুরের মাওনা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী স্টার ট্রাভেলস্
(ঢাকা মেট্রো- ব- ১২-১৩০৯) নামের বাসে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় জামালপুর সদর থানার মেষ্টা ইউনিয়নের দেউলিয়াবাড়ি গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে চিহৃিত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়াকে (৩৮) আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। পরে ওই মাদক ব্যবসায়ীর নামে ইস্যু করা বাসের বি-১ সিটের লকারে রাখা টোকেনযুক্ত ব্যাগ ও কার্টুন থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত গাঁজা নিজের বলে দায় স্বীকার করে সে। এসময় তার ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন ও বাসের টিকিটও জব্দ করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ পরিদর্শক সাকিব সরকার বলেন, মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে অত্রাঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিল। এ ব্যাপারে সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে সৈয়দপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল ওয়াদুদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক গাঁজা উদ্ধার এবং মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মাদক ব্যবস্যায়ী জুয়েলকে সর্বশেষ মাদকদ্রব্য আইনের মামলায় আদালতের মাধ্যমে নীলফামারী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।