- সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি::
নীলফামারীর সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের মেধাবী ছাত্র মো. শাহারিয়া ফাহিম ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ স্টেম ইনভেনশন ইনোভেশন প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ অংশ নিতে থাইল্যান্ডে যাচ্ছে। সে দলগতভাবে উদ্ভাবিত রোবাটিক্স বিষয়ে আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ওই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে বিশ্ব মঞ্চে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার সুযোগ পাচ্ছে সে।
শাহারিয়া ফাহিম তাঁর উদ্ভাবনী চিন্তা ও বিজ্ঞানভিত্তিক দক্ষতার মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত হয়েছে। সে সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। দিনাজপুরের বিরামপুরে পল্লী বিদ্যূৎ অফিসে কর্মরত মো. দুলাল হোসেন ও মোছা. ফরিদা বেগমের একমাত্র পুত্র সন্তান শাহারিয়া ফাহিম। তাদের গ্রামের বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুরে। বর্তমানে তাঁরা সৈয়দপুর শহরের নিয়ামতপুর সরকার পাড়ায় বসবাস করেন।
এদিকে ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ স্টেম ইনভেনশন ইনোভেশন প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ অংশগ্রহনে উৎসাহিত করতে সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের পক্ষ থেকে তাঁকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী শাহারিয়া ফাহিমের হাতে পঞ্চাশ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করা হয়। লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি লায়ন আলহাজ্ব মো. শফিয়ার রহমান সরকার তার হাতে ওই চেকটি তুলে দেন।
এ সময় লায়ন্স ক্লাব অব সৈয়দপুর এর সভাপতি লায়ন মো. জাকির হোসেন মেনন, লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আলহাজ্ব মো. মশিউর রহমান, উপাধ্যক্ষ (কলেজ) মো. সাজ্জাদ হোসেন, উপাধ্যক্ষ (স্কুল) আহমেদ আলী, প্রভাষক মো. মহসিন আলী শাহ্, সুমন কুমার দাস, সহকারী শিক্ষক এইচ এম ইমরান, হিসাবরক্ষক মো. জিল্লুর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,শাহারিয়া ফাহিমের মতো মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব দেবে। আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় ফাহিম তার উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়। ফাহিমের এই অর্জনে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক, অভিভাবক ও সহপাঠীরা আনন্দ প্রকাশ করে তাঁর সাফলতা কামনা করেন।