1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
‘খুব দ্রুত একটা সুখবর পাবেন’, সাকিবের ফেরা প্রসঙ্গে ফারুক বিশ্বশক্তির চাপের কাছে মাথা নত করবে না ইরান : পেজেশকিয়ান কাতার-বাহরাইনের ঘাঁটি থেকে শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানে পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সুন্দরবনে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্য আটক, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার মুন্সীগঞ্জে দেড় লাখ বর্গমিটার কারেন্ট জাল জব্দ পরাজিত প্রার্থীর সঙ্গে দেখা করতে বাসায় গেলেন ভূমিমন্ত্রী মিনু ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশন অব মালখানগরের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন, সভাপতি সোহেল ও সম্পাদক বাহার পুনর্নির্বাচিত রাজগঞ্জে জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস পালন সৈয়দপুরে মুদি দোকানে দুঃসাহসিক চুরি

পাকিস্তানে পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৯ বার পঠিত
pakisthan-15792
  • দীপ্ত নিউজ ডেস্ক ::

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। তথ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কালোব্যাজ ধারণ, জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ধনমিতকরণ এবং অস্থায়ী শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বাণী পাঠ, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের জন্য দূতালয় প্রাঙ্গণ ব্যানার, বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা দিবসের পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষ্যে দূতালয় প্রাঙ্গণে একটি অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়। হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান হাইকমিশনের সব কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিশুদের সঙ্গে নিয়ে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই সমবেত কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি খোন্দকার এম তালহার একটি ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়।

হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান তার সমাপনী বক্তৃতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে শহিদদের প্রতিও বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম ও এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও ভাষাভিত্তিক একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর