1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কয়রায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে মত বিনিময় সভা সৈয়দপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে সহায়তার চেক বিতরণ কয়রায় সুশীলনের প্রকল্প অবহিতকরন সভা  সাতক্ষীরায় মাছের ঘের থেকে যুবকের  বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিততে হলে যে ২ অভিশাপ কাটাতেই হবে ফাইনাল পর্যন্ত মিলে গেল ভবিষ্যদ্বাণী, চ্যাম্পিয়ন দলের নামও জানিয়েছেন ‘জ্যোতিষী’ পাইকগাছায় প্রাকৃতিক উৎসের ৪ লাখ চিংড়ি পিএল জব্দ, নদীতে অবমুক্ত আলোকিত মানুষ হতে হলে পড়াশোনা মনোযোগ দিতে হবে – সৈয়দপুরে বিলকিস ইসলাম এমপি জুলাইয়ে কখনোই বিশ্বকাপ জেতেনি মেসিরা মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

অবৈধ নিয়োগ বানিজ্যে, সরকারের ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ -অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫৬ বার পঠিত
paikgacha-niog-13229

★ ৩টি পদে অবৈধ নিয়োগে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ

★ প্রমান সহ অভিযোগ স্বত্বেও কর্তৃপক্ষ যেন শুধু-ই দর্শক

★প্রণোদনা অনুদানে ৫ লাখ অর্থ আত্মসাৎ

★অভিযোগকারীকে জীবন নাশের হুমকি

  • খুলনা অফিস ::

বিদ্যালয়ের প্রণোদনা সহায়তা প্রদানের ৫ লাখ টাকা লুটপাট। ৩টি পদে পাতানো নিয়োগে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া সহ নানা অপকর্মের জড়িত থাকার অভিযোগে উঠেছে খুলনার পাইকগাছার খড়িয়া নবারুণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক কুমার সরকারের বিরুদ্ধে । একই সাথে ভারত-বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ভোগ করা প্রধান শিক্ষক দীপকের অপকর্ম প্রমানে সকল ডকুমেন্টস ফিরিস্তি আকারে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিলের পরও কোন এক অজানা কারনে তিনি বরাবরই রয়ে যাচ্ছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়াতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন এলাকাবাসী। দিনে দিনে বাড়ছে ক্ষোভ।

অভিযোগকারী লিখিত অভিযোগের পর একদিকে প্রতিনিয়ত পাচ্ছেন জীবন নাশের হুমকি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাতানো নিয়োগের সকল প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও দ্রুত ব্যবস্থা না নিয়ে কালক্ষেপণ করে তদন্তের নামে বিষয়টিকে পরিণত করেছেন চরম তামাশায়। মন্তব্য করেছেন অভিযোগকারী সহ সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগকারীর দাখিল করা অভিযোগ ও তার বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে ২০১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ১টি পদে, ২০১৯ সালের ২৫ শে জুলাই ২টি পদে এবং ২০২৩ সালে ১লা অক্টোবর ৩টি পদে, ২০২৪ সালে ২রা জুন ৩টি পদে স্থানীয় সংবাদপত্রে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকার। কিন্তু ৩টি পদের জন্য পূর্ব থেকে ৩ জনকে নির্ধারণ করা হয়েছে এমন তথ্য প্রকাশ্যে আসে । যার ফলে গত ১৯ জানুয়ারি ও ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২০ ইং তারিখে খুলনার স্থানীয় দৈনিক খুলনাঞ্চল ও আমার একুশ পত্রিকায় প্রধান শিক্ষকের ক্ষমতার অপব্যবহারে নিয়োগ বাণিজ্য ও তার দ্বৈত নাগরিকত্ব শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তাছাড়া ১২ই অক্টোবর পাইকগাছা আদালত এবং ১৯শে অক্টোবর খুলনা আদালতে মামলা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের রহস্যজনক কারণে নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকতে দেখা যায়। তবুও পাতানো নিয়োগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুনরায় অভিযোগকারী ২০২৪ সালের ২রা জুলাই পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, খুলনা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার না পেয়ে বেশ হতাশায় ভুগতে থাকেন অভিযোগকারীরা।

অপরদিকে প্রধান শিক্ষক আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে যোগসাজশ করে ক্ষমতাবলে ২০২৪ সালের ৪ঠা জুলাই নিয়োগ কার্ড বিতরণ করলে ১১ই জুলাই পুনরায় পাতানো নিয়োগের বিরুদ্ধে জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। অতঃপর কোন কিছুকেই তোয়াক্কা না করে পুনরায় স্থানীয় আওয়ামী সংসদ সদস্যের ক্ষমতাবলে ২০২৪ সালের ১২ জুলাই নিয়োগ পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা নেন প্রধান শিক্ষক ও পাইকগাছা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। আর ফলাফলে প্রধান শিক্ষকের আপন শালিকা লাবনী স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ভাই ভবেশ এবং অভিভাবক সদস্য রবীন ঢালীর ভাগ্নে পলাশ নিয়োগে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়। প্রধান শিক্ষক ও তার অনুসারীদের পূর্বের পাতানো নিয়োগের বিরুদ্ধে একই বছরের ১৬ জুলাই এলাকাবাসী মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন এমনকি ঝাড়ু মিছিল করেন এলাকাবাসী। যা প্রথম সারির একাধিক আঞ্চলিক- জাতীয় দৈনিক পত্র-পত্রিকা সহ অনলাইনে ব্যাপক প্রচার হয় তবে তখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে ঘুমিয়ে থাকায় নজরে না পড়ায় হতাশায় ভুকতে থাকেন অভিযোগকারী সহ স্থানীয়রা।

এবিষয়ে অভিযোগকারী প্রকাশ চন্দ্র সরকারের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন,প্রধান শিক্ষক সব বিষয়ে অপকর্ম করেছেন। বিগত আওয়ামী লীগের আমলে এমপি সহ আওয়ামী লীগের নেতাদের তার মারাত্মক দহরমমহরম থাকার কারনে তিনি যা খুশি করেছেন। ৩ জনকে নিয়োগ দিয়ে হাতিয়েছেন ৩০ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন,বিদ্যালয়ের জন্য সরকার প্রেরিত অর্থ আত্মসাৎ, নিয়োগ বানিজ্যের সহ যাবতীয় অপকর্মে জড়িত ছিলেন এখন বহাল তবিয়তে সেসব কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রকাশ বলেন, প্রধান শিক্ষক দীপকের দূর্ণীতির যাবতীয় ডকুমেন্টস সংযুক্ত করে আমি জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে অভিযোগ করি কিন্তু কোন এক অবৈধ শক্তির কাছে সব অভিযোগ থমকে যায়।

এবিষয়ে পাইকগাছা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রকাশ সরকারের অভিযোগের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত করি।

তদন্ত কমিটির তদন্ত রিপোর্ট কি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,তদন্ত রিপোর্ট এখনও লেখা হয়নি। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তদন্ত রিপোর্ট না প্রকাশ করার কারন সম্পর্কে সঠিক জবাব তিনি দিতে না পারলেও অভিযোগের কিছু অংশ প্রমান না হলেও বৃহ অংশ প্রমাণিত বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর