- উত্তম চক্রবর্তী, যশোর।।
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে তরুণ সমাজসেবক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সম্পাদক, আল-মজিদ ইসলামী মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান, মণিরামপুর সমিতি, ঢাকা এর নির্বাচিত কার্যনির্বাহী সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মণিরামপুর ফোরাম ঢাকা এর সদস্য সচিব মোঃ নাজমুল হক টিটো।
দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। এদিকে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেই এখন মূল আলোচনার বিষয় কে হচ্ছেন আগামী দিনের ইউনিয়ন পরিষদের অভিভাবক। এই নির্বাচনী দৌড়ে এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে ব্যাপকভাবে উচ্চারিত হচ্ছে তরুণ সমাজসেবক ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক মোঃ নাজমুল হক টিটো এর নাম। তিনি এই অঞ্চলের অত্যন্ত সুপরিচিত ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব, মরহুম মোঃ আব্দুল মজিদ মাষ্টার এর সুযোগ্য সন্তান।
স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের কাজিয়াড়া গ্রামের মরহুম মোঃ আব্দুল মজিদ মাষ্টার এর পরিবারের একটি সুদীর্ঘ সামাজিক ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
বাবার আদর্শকে বুকে ধারণ করে নাজমুল হক টিটো দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে আছেন। করোনাকালীন সংকট, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং কর্দমাক্ত গ্রামীণ রাস্তাঘাটের সংস্কারে নিজ উদ্যোগে তাঁর অবদান সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
তৃণমূলের দাবি: টিটোকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, সর্বস্তরের জনগণের মাঝে মোঃ নাজমুল হক টিটোকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় যুবসমাজ এবং প্রবীণ মুরব্বিদের একটাই দাবি দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন এবং একটি আধুনিক-স্মার্ট ইউনিয়ন বিনির্মাণে নাজমুল হক টিটো ভাই এর কোনো বিকল্প নেই। এলাকার কয়েকজন প্রবীণ ভোটারের সাথে কথা বললে তারা জানান, মরহুম আব্দুল মজিদ মাষ্টার সাহেব যেভাবে আজীবন মানুষের সেবা করে গেছেন, তাঁর সন্তান টিটোও ঠিক একইভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমরা আগামী নির্বাচনে তাকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। নাজমুল হক টিটো মানুষের সুখে দূঃখে বিপদে আপদে সব সময় আমাদের পাশে থাকে।