- বিজ্ঞপ্তি, সিলেট::
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জমিয়ত ঐক্যজোট মনোনীত সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেছেন, আমার ব্যক্তিগত কোনো লোভ নেই। এই জনপদের রাস্তা-ঘাটের সমস্যা, নদী ভাঙ্গন, পানির সমস্যা, ভঙ্গুর স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষার অবনতি এই তাড়না থেকে নির্বাচনে এসেছি। পাশাপাশি আমি নির্বাচনে এসেছি এই দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম, হেফাজতে ইসলামের মুরব্বি, জমিয়ত-বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সবার অনুরোধে। তাই খেজুরগাছ নির্বাচিত হলে এই দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরামদের মুখ উজ্জ্বল হবে। আর আমি সফল হলে কানাইঘাট-জকিগঞ্জের সমন্বিত আধুনিক সিটিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু পরিকল্পনা নয় বাস্তবায়নের পথও আমার জানা আছে।
অবহেলিত এই জনপদকে পরিকল্পিত নগরায়নের আওতায় এনে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। আমি চাই এই অঞ্চলের মানুষ যেন শহরের মত সব আধুনিক, সুযোগ-সুবিধা নিজ গ্রামেই থেকেই পান। ভারত সীমান্তের এই জনপদগুলো অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাথর এবং পর্যটন শিল্পের সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে পারলে এই দুই উপজেলা সিলেটের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।

মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক আরও বলেন, এই অঞ্চলের বিশুদ্ধ পানি সংকট, কৃষি উন্নয়ন সহ সার্বিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব। থানা সদর মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় কানাইঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ মামুন এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাজ উদ্দিন সাজু, ক্বারি হারুনুর রশিদ, আলতাফ হোসাইন ও আবুল হোসেন চতুলীর যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন দেশের শীর্ষ বুজুর্গ মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস লক্ষিপুরি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শায়খ আলিম উদ্দিন দুর্লভপুরী, মাওলানা শফিকুল হক সুরাইঘাটি, শামসুদ্দিন দুর্লভপুরী , কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাফাদার, আরব আমিরাত সভাপতি জাকির হোসাইন, সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী, মাওলানা নূর আহমদ কাসেমী, মুফতি ইবাদুর রহমান, সৈয়দ মবনু, মাওলানা আহমদ সগীর, মাওলানা রায়হান উদ্দিন। প্রমুখ।