1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বেনাপোল কাস্টমসের জব্দ কোটি টাকার পণ্য গায়েব, কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের নামে মামলা অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর স্মরণে মিশিগানে দোয়া মাহফিল অর্থের অভাবে মাকে মাঠে এনে খেলা দেখাতে পারিনি : কেপ ভার্দের নায়ক ভোজিনিয়া পাইকগাছায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সৈয়দপুরে ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের উদ্বোধন সুন্দরবনের অজগার সাপ লোকালয়ে উদ্ধারের পর গহীনে বনেই অবমুক্ত কয়রায় জামায়াত কর্মীকে ‘এমপির এপিএস’ বলে অপপ্রচার, এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ সৈয়দপুরে ক্লাশ চলাকালে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় ভবন পরিত্যক্ত ঘোষনা, সীলগালা কয়রায় ইউপি সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ে প্রশিক্ষন শার্শা উপজেলা কিশোর-কিশোরী ক্লাব ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা

এমপি আনার হত্যা: পুলিশের কাঁধে মুখ লুকিয়ে আদালতে শিলাস্তি

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪
  • ৮৯ বার পঠিত
silasti-rahman-৯৩২৯

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক::


ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে তোলা হয়েছে। তারা হলেন– আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, শিলাস্তি রহমান ও ফয়সাল আলী ওরফে সাজি।

শুক্রবার (২৪ মে) বিকেল ৩টা ২৮ মিনিটে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের সিএমএম কোর্টের হাজতখানা থেকে তিন আসামিকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়।

আদালতে তোলার সময় দেখা যায়, শিলাস্তি রহমান দুই নারী পুলিশের কাঁধে মুখ লুকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে আদালতে যান। এসময় তিনি মুখে মাস্ক পরে ছিলেন।

এর আগে, দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের হাজির করা হয়। এ সময় তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

গত বুধবার (২২ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

মামলার অভিযোগে মুনতারিন ফেরদৌস ডরিন উল্লেখ করেছেন, মানিক মিয়া এভিনিউয়ের বাসায় আমরা সপরিবারে বসবাস করি। ৯ মে রাত ৮টার দিকে আমার বাবা আনোয়ারুল আজীম আনার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ যাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন। ১১ মে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বাবার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললে বাবার কথাবার্তায় কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়। এরপর বাবার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাই।

১৩ মে বাবার ভারতীয় নম্বর থেকে উজির মামার হোয়াটসঅ্যাপে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। এতে লিখা ছিল, ‘আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সঙ্গে ভিআইপি রয়েছে। আমি অমিত সাহার কাজে নিউ টাউন যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নেই। আমি পরে ফোন দেব।’

এছাড়া, আরও কয়েকটি বার্তা আসে। ক্ষুদে বার্তাগুলো আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন জায়গায় বাবার খোঁজ করতে থাকি। কোনও সন্ধান না পেয়ে তার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস বাদী হয়ে ভারতীয় বারানগর পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপরও আমরা খোঁজাখুজি অব্যাহত রাখি। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে বাবাকে অপহরণ করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর