1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাবেন প্রধানমন্ত্রী ডুমুরিয়ায় দুটি খাল খননে অনিয়ম ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হল কয়রায় ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ডুমুরিয়ায় বাজার মনিটরিংয়ের দাবি, মৌসুমের অজুহাতে চড়া বেগুন-শিমের দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা কপিলমুনিতে প্রাথমিকের শ্রেণিকক্ষের ঝুলন্ত ফ্যান ছিঁড়ে প্রথম শ্রেণির ছাত্রী আহত ক্যানসারের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ঝাঁপা মাদ্রাসার কৃতি ছাত্রী তাসলিমা খাতুন, বাঁচানোর আকুল আবেদন তালায় আলোচিত গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী রাজু সরদার ধরা ছোয়ার বাইরে! রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানালো যুক্তরাষ্ট্র নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে ইইউর অভিনন্দন রাষ্ট্রপতির শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ডুমুরিয়ায় বাজার মনিটরিংয়ের দাবি, মৌসুমের অজুহাতে চড়া বেগুন-শিমের দামে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৬ বার পঠিত
17347

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া:


খুলনার ডুমুরিয়ার স্থানীয় বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশিরভাগ সবজির দাম কিছুটা কমলেও বেগুন, শিম, গাজর ও টমেটোর দর এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অসময়ের অজুহাতে এসব সবজি ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। বাজার স্থিতিশীল রাখতে দ্রুত মনিটরিং জোরদারের তাগিদ দিয়েছেন তারা।

​বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শিম ১০০/১৫০ টাকা, গাজর ৮০/১০০ টাকা, টমেটো ১২০/১৪০ টাকা, বেগুন ১০০/১৩০ টাকা এবং বরবটি ৭০/৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে পটল, শসা, ঢ্যাঁড়শ ও ধুন্দুল ৫০ টাকা এবং করলা, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা ৪০ টাকা কেজি দরে মিলছে।

​বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,  অন্যান্য সবজির দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও নিত্যদিনের দরকারি বেগুন আর শিম কেনা দায় হয়ে পড়েছে। বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন।

আরেক ক্রেতা তাজুল ইসলাম আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, সবজির বাজারে একেক দোকানে একেক দাম। অসাধু সিন্ডিকেট ভাঙতে বাজারে নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।

​সবজির চড়া দামের বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল রাজ্জাক জানান, মৌসুম শেষ হওয়ায় স্থানীয়ভাবে নির্দিষ্ট কিছু সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ কমে গেছে। মূলত এই সরবরাহ ঘাটতির কারণেই বাজারে বেগুন, শিম ও টমেটোর দাম সাময়িকভাবে কিছুটা বেশি। তবে নতুন মৌসুমের সবজি উঠতে শুরু করলে শিগগিরই দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে।

​বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখা ও জনভোগান্তি কমানোর বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার বলেন, উপজেলার কোনো বাজারে যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বা অহেতুক অজুহাত দেখিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। খুব দ্রুতই স্থানীয় বাজারগুলোতে আমাদের মোবাইল কোর্ট ও নিয়মিত
তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর