1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কপিলমুনিতে নকল পণ্য কারখানায় অভিযানের পর আরোও বেপরোয়া তপন মন্ডল! বেনাপোলে ৬ দফা দাবিতে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ অবস্থান কর্মসূচি কয়রা সদর ইউনিয়ন সিএসও কমিটি পুর্ণগঠন, সভা প্রধান সায়ন্তী মুন্ডা ও সদস্য সচিব আনারুল ডাবলু  কয়রায় মনোসামাজিক সহায়তা বিষয়ক শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা পাইকগাছায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু কয়রার কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ে নবীন বরণ সম্পন্ন ভূল অপারেশনে জীবন গেল পাইকগাছার সাধনের, তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ কপিলমুনিতে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে বিধবার উপর হামলা, রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার কয়রায় নাশকতা মামলায় ইউপি সদস্যসহ ৩ আ’লীগ নেতা কারাগারে ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে কেসিসি কর্তৃক নগরীতে বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে— কেসিসি প্রশাসক

বাস্তবায়িত টি আর এম প্রকল্পের ক্ষতিপুরনের বকেয়া টাকার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯২ বার পঠিত
tala-10988

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ::


সাতক্ষীরার তালায় কপোতাক্ষ নদ অববাহিকার পাখিমারা বিলের বাস্তবায়িত টিআরএম কার্যক্রমের বকেয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ অতিদ্রুত প্রদানের দাবীত সংবাদ সম্মেলন করেছে পাখিমারা বিল কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারী ) বেলা সাড়ে ১১টায় তালা প্রেসক্লাবে পাখিমারা টি আর এম বিলের অধিবাসীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিল কমিটির সদস্য গোলদার মোঃ আশরাফুল হক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তালা উপজেলাধীন কপোতাক্ষ নদ অববাহিকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে টি আর এম প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকার ২৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে গত ২০১১-১২ অর্থ বছরে পাখিমারা বিলের চারিপাশে ১২ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার পেরিফেরিয়াল বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করে ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে শেষ করে। এসময় ভূমি অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের আশ্বাস দিয়ে ২০১১ সালে টিআরএম প্রকল্প চালু করে সরকার। যথারীতি নদী খনন ও টিআরএম চালু হলেও ২০১১-২০১২ সালের ২ বছরের ক্ষতিপূরণের টাকা ৭৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের প্রদান করা হয়।

১ম প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০-২১ এবং ২য় পর্যয়ের প্রকল্প ২০২০-২১ হতে ২০২৩-২৪ নির্ধারণ করা হয়। বর্তমানে টিআরএম প্রকল্প চালু থাকলেও বাকী ২০১৩ সাল হতে অদ্যবদি ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও সরকারের পক্ষ থেকে বাকী অধিগ্রহণকৃত ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করা হয়নি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বিলে যতোদিন টিআরএম বাস্তবায়িত হয়েছে সেই হিসেবে জমির মালিকরা প্রাপ্য অর্থের মাত্র ১৮% টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, এখনও ৪৬ কোটি টাকা সরকারের কাছে বকেয়া আছে, যা না পাওয়ায় এলাকাবাসীদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। কৃষকরা আর কবে পাবে টি আর এম প্রকল্পের ক্ষতুপুরণের বকেয়া টাকা। বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিকট জনগণের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোন সিদ্ধান্ত এখনও পর্যন্ত আমরা অবগত হতে পারেনি। এসময় তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অতিদ্রুত বাস্তবায়িত টি আর এম কার্যক্রমের বকেয়া ক্ষতিপুরণের অর্থ প্রদানের দাবী জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সদস্য সেলিম আক্তার স্বপন,উপজেলা পানি কমিটির সম্পাদক মীর জিল্লুর রহমান,তালা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এম এ হাকিম, উপজেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম, পাখিমারা বিল কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুল আলিম, সম্পাদক মোঃ রাশেদ সানা, দোহার এলাকার সহ সভাপতি মোঃ মোকর আলী সরদার, সম্পাদক মোঃ ছফেদ আলী সরদার, সদস্য উত্তম বাছাড়সহ এলাকাবাসী।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর