নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি গ্রামে মৃত নছিম উদ্দীনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (৫০)। তিনি ২০০৭ সালে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএডিসি) যোগদানের পর থেকে নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন।বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বীজ শাখায় দায়িত্বে আছেন।
এর আগে মনিরামপুর উপজেলায় চাকুরীকালীন সময় তার অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করে এলাকাবাসী।সেখান থেকে বিদায় নিয়ে সাতক্ষীরায় যোগদান করেন।যোগদানের পর থেকে শুধুমাত্র অফিসে হাজিরা দিয়ে,দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন না করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
তার আপন ভাই শেখ আব্দুল আজিজ ইসলামকাটি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকার সুবাদে আইনের তোয়াক্কা না করে দাপট এর সাথে চলেছেন। ভাইয়ের দাপটে আমিনুল ইসলাম দূর্নীতি,অনিয়মও ক্ষমতার অপব্যবহার করে গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড় । সরকারি অফিসে নাম মাত্র হাজিরা দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কাজে সময় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সে সরকারী নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে একই স্থানে প্রায় ৩ বছর চাকুরী করছেন।তার ভাই মামলাবাজ ফ্যাসিস্ট সরকারের দালাল আওয়ামিলীগের ইসলামকাটি ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক থাকায় ক্ষমতার অব্যবহার করে ধরা কে সড়া জ্ঞান বানিয়ে যখন যা খুশি তাই করেছেন। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তাকে অন্যত্রে বদলীর দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, তালা থানার ইসলামকাটি গ্রামে মৃত নছিম উদ্দীনের ৫ ছেলে। তার পিতার ৮/১০ বিঘা সম্পত্তি।কিন্তু বিএডিসি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম তার আপন ভাই শেখ রেজাউল,শেখ মিজানুর,শেখ আব্দুল আজিজ এর নিকট হতে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকায় ২ বিঘা জমি ক্রয় করেন। এছাড়াও তালা প্রেসক্লাবের পিছনে ০৭ শতক জমি ক্রয় করেন যার মূল্য কোটি টাকা। ইসলামকাটি বদর মোড় জামাল শেখ এর নিকট তেকে ৫ টি দোকান ৫ শতক জমি মিলে ২৫ লক্ষ টাকার সম্পদ ক্রয় করেছেন।
তালা থানার ইসলামকাটির উত্তর ইসলামকাটি গ্রামে তার বাড়ীতে প্রবেশ পথ থেকে ঘরের সিড়িতে উঠতে কনক্রিট রাস্তা, ৫ তলা ফাউন্ডেশন টাইলস দিয়ে ১তলা আলীশান বাড়ি কমপ্লিট করেছেন।তার বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারী কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ।
এলাকাবাসীর দাবি তাকে সাতক্ষীরা থেকে অনত্র বদলি করে সরকারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও দুদক দ্বারা গোপন এবং প্রকাশ্য তদন্ত করলে তার অঢেল সম্পদের রহস্য বেরিয়ে আসবে।
এই বিষয়ে বিএডিসি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম উল্লেখিত সম্পদের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বৎসরে চৌত্রিশ শত টাকা আয়কর প্রদান করেছেন বলে জানান তিনি।