সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি ::
সৈয়দপুরে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামী, মোবাইল চোর, মাদক ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামীসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এসময় উদ্ধার করা হয়েছে নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট। মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বুধবারই আদালতের মাধ্যমে নীলফামারী জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এরআগে কয়েকদিনে উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল, গরু,ও রিকশা ভ্যান। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফইম উদ্দিন।
পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চোর ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী,পলাতক আসামীসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িতদের ধরতে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো মাদক ব্যবসায়ী রাজনবী (২৫),হাসান (২৭), মোবাইল চোর সিন্ডিকেট সদস্য শরিফুল (২০),মোকসেদুল (২০),নাজমুল (১৮), মজিদুল (২৪), সাইকেল চোর নওশাদ (৩৩)। এসময়, চুরি যাওয়া একটি বাইসাইকেল ও মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ২০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটও উদ্ধার করে পুলিশের আভিযানিক দল।
এদিকে একই অভিযানে গত ৪ আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় উপজেলা কামারপুকুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আব্দুল হাইকে (৬০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া পারিবারিক আইনে মামলার এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী মো. পারভেজ (৫৫) এবং বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামী আনিছুর রহমান (৪৫) এবং অপূর্ব চন্দ্র রায়কে (২৪) গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানতে চাইলে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফইম উদ্দিন আসামীদের গ্রেফতারের পর তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে নীলফামারী জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, সৈয়দপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ গোটা শহরে টহল বৃদ্ধি করেছে।
এছাড়া শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ, সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরকে নিয়োজিত রাখা হয়েছে। তিনি জানান, কোন
অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবেনা। পুলিশী অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন,খুব শিগগির পূর্বের মত গোটা শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।