সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি ::
১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস পালনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি প্রতিহত করতে সারাদেশের মতো সৈয়দপুরেও ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।
দলটির সকলস্তরের নেতাকর্মীরা সকাল থেকে সারাদিন দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় এবং মিছিল অব্যাহত রাখে। গতকাল রবিবার (১০ নভেম্বর) সৈয়দপুর শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়।
সুত্র জানায়,কয়েকদিন আগে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ ১০ নভেম্বরকে ঘিরে কর্মসূচির নামে সারাদেশে নৈরাজ্যের মাধ্যমে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে তাদের ফেসবুক পেইজে কর্মসূচি ঘোষণা করে।
এ কারণে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ ও তাদের দোসররা যাতে রাজপথে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য রাজপথে অবস্থান নেয় ছাত্রদল।
অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হোসাইন মোহাম্মদ আরমান সহ-সভাপতি ইমরান আনসারি সাধারণ সম্পাদক মো. মমিনুল ইসলাম রাব্বি যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন আরাফাত সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জয় সহ জেলা ছাত্রদলের সকলস্তরের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া সৈয়দপুর উপজেলা ছাত্রদল, সৈয়দপুর পৌর ছাত্রদল, সৈয়দপুর সরকারি কলেজ ও কামারপুকুর ডিগ্রী কলেজ সহ অন্যান্য কলেজের নেতাকর্মীরা অংশ নেয় এ কর্মসূচিতে। সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে হোসাইন মোহাম্মদ আরমান ও মোমিনুল ইসলাম রাব্বি বলেন বিগত ১৫ বছরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নির্যাতনকারী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সকল অপরাধীকে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের আমলে সারাদেশে যত গুম খুন হামলা মামলা হয়েছে সেসবের বিচার দাবি করে তারা বলেন, ভারতের মাটিতে বসে শেখ হাসিনা দেশের বিরুদ্ধে যতই যড়যন্ত্র করুক না কেন, দেশবাসীকে সাথে নিয়ে তাদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে প্রস্তুত ছাত্রদল। এজন্য সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানান তারা।
এরআগে জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহরের বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেওয়া হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরাও ছিল সজাগ। শহরের বিভিন্ন এলাকায় তাদের অবস্থান দেখা গেছে।
এদিকে ১০ নভেম্বরের আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে ঘিরে সতর্ক গোটা শহরে পুলিশের অবস্থান ছিল লক্ষণীয়। ছিল সাদা পোশাকেরও পুলিশ। আওয়ামী লীগের এই কর্মসূচি ঘিরে দলের কোন নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি রাজপথে। দলটির দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলতে দেখা গেছে।