1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
পাইকগাছায় প্রাথমিকের ক্লাসরুমে ঢুকে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে জুতাপেটা শিক্ষকের স্ত্রীর! যশোরের যুব সমাবেশ সফল করতে শার্শায় যুবদলের প্রস্তুতি সভা সাতক্ষীরায় উত্তরণের আয়োজনে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও বিপণন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সৈয়দপুরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তুষার কান্তি  রায়ের পরলোকগমন তালা হাসপাতালে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের আশ্বাস: ২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ সাতক্ষীরা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীর বিদায়ী সংবর্ধনা ও নতুন প্রকৌশলীকে বরণ হরিঢালী ইউনিয়ন বালিকা মা: বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ বাণিজ্য, শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে ব্যস্ত বৈরী আবহাওয়ায় নির্ধারিত দিনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জরুরি নির্দেশনা খেলাফত মজলিসের জামায়াত জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত টানা ‎বর্ষনে আইলা উপদ্রুত আশাশুনির ৪ গ্রামের মানুষের চলাচলের ১২ কিঃ মিঃ কাঁচা রাস্তায় চরম ভোগান্তি

৪০ বছর পর একলিমার খোঁজ মিলল পাকিস্তানে 

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২
  • ১৭৬ বার পঠিত

শেখ ইমরান হোসেন ::

১৯৮২ সালের কোনো এক দিন হারিয়ে যান একলিমা বেগম। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। অবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে সন্ধান মিলছে তার। বর্তমানে তিনি পাকিস্তানে অবস্থান করছেন।

একলিমা বেগম (৬৫) সাতক্ষীরার তালা উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল শেখের মেয়ে ও তিন সন্তানের জননী। স্বামীর মৃত্যুর পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি।

দীর্ঘ ৪০ বছর পর পাকিস্তানের শিয়ালকোটের দিলওয়ালীতে খোঁজ মিলেছে তার। কিভাবে তিনি সেখানে পৌঁছালেন সেটি বলতে পারছেন না তিনিসহ কেউই।

একলিমা শুধু মনে করতে পারছেন, তার বাবা-মাসহ ভাই ও তালার গঙ্গারামপুর গ্রামের নামটি।

পাকিস্তানের শিয়ালকোটের দিলওয়ালীতে পরিবারের সঙ্গে অবস্থানরত একলিমা মৃত্যুর আগে অন্তত একবার নিজ মাতৃভূমিতে আসার ইচ্ছা পোষণ করেন। সেখানে তার পরিবারের সদস্যরা সেটি ভিডিও করে ফেসবুকে যশোরের একটি গ্রুপে পোস্ট করেন।
সেখন থেকে ভিডিওটি আমাদের  তালা উপজেলা ফেসবুকে গ্রুপে সেয়ার করেন আব্দুল হাকিম।

তাদের করা ভিডিওটি চোখে পড়ে একলিমা বেগমের বড় ভাই মৃত মকবুল শেখের ছেলে মো. জাকির শেখের। ভিডিওতে একলিমার বলা নামগুলো তার দাদা-বাবা ও চাচাদের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় তিনি বিষয়টি বাড়িতে আলোচনা করেন। ভিডিও দেখিয়ে নিশ্চিত হন, ভিডিওর একলিমা বেগমই তার হারিয়ে যাওয়া ফুফু। এরপর তারা পারিবারিকভাবেই ভিডিও কলে যোগাযোগ করেন একলিমার সঙ্গে।

একলিমা বেগমের ছোট ভাই ইব্রাহিম শেখ জানান, সেসময় আমাদের অনেক অভাব ছিল। তার স্বামী মারা গেলে সে যেন প্রায় পাগল হয়ে গিয়েছিল। পরে কীভাবে যে পাকিস্তানে চলে যায়, তা আমরা কেউই জানি না। কয়েকদিন আগে তার খোঁজ পেয়েছি। আমরা চাই সে ফিরে আসুক।

একলিমা বেগমের বড় ভাই মৃত মকবুল শেখের ছেলে জাকির শেখ বলেন, কিছু দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে ফুফু একলিমার খোঁজ পাই। তারপর থেকে তার সঙ্গে বাড়ির সবার নিয়মিত কথা হচ্ছে। তিনি আমাদের এখানে আসতে চান। এজন্য তাদের কাছে ইনভাইটেশন লেটার পাঠানো হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দূতাবাস সহযোগিতা করলে তিনি আসতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ফুফুর সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, তিনি পাকিস্তানের একটি শেল্টার হোমে ছিলেন। সেখানে মুহাম্মদ সিদ্দিক নামে একজনের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং পরে তারা বিয়ে করেন। মুহাম্মদ সিদ্দিক কয়েক বছর আগে মারা গিয়েছেন। সেখানে তাদের পরিবারে দুটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে রয়েছে। আমরা চাই তারা এখানে বেড়াতে আসার সুযোগ পাক। এজন্য আমরা সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছি।

একলিমা বেগমের প্রথম ঘরে এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। ছেলে হেকমত আলী কাজ করেন ঢাকার একটি কারখানায়।

একলিমার বাংলাদেশে থাকা ছেলে হেকমত আলী বলেন, আমি ছোট বেলায় আব্বাকে হারিয়েছি। আমার মারে এত বছর পরে পেয়েছি। তারে আপনারা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন। আমি সারাজীবন তাকে দেখাশুনা করব।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফখরুল আলম খান বলেন, ঘটনাটি আমাকে কেউ জানায়নি। তবে এমন ঘটনার বিষয়ে কাজ করার জন্য অনেক সংস্থা রয়েছে। থানায় যোগাযোগ করলে একলিমাকে দেশে আসার বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর