1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কয়রায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপন পাইকগাছায় লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত বেনাপোলে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হাকর নদীটি প্রভাবশালীদের দখলে মাছ চাষ করছে ভেড়িবাঁধ দিয়ে কয়রায় মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটিতে আ’লীগ নেতার স্ত্রী সভাপতি, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় প্রাথমিকের ফিডিং কর্মসূচী মিড ডে মিলে’র খাদ্য অনিয়মের প্রমান পেয়েছে কতৃপক্ষ, ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ সাংবাদিকের ভাইয়ের মুত্যুতে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক ডুমুরিয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি সভা খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ থাকায় ১৭ বছর সংস্কার হয়নি ছাত্রী নিবাস মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৭

সৈয়দপুরে নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবান্ন দেয়ালিকা প্রকাশ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৮৭ বার পঠিত
saidpur-10883

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি ::

সৈয়দপুর শহরের নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হেমন্ত ঋতুভিত্তিক “নবান্ন” নামে একটি দেয়ালিকা গতকাল মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে প্রকাশিত হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলার সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মরিয়ম নেছা ওই দেয়ালিকার উদ্বোধন করেন।

এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিবলী রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশিত নবান্ন দেয়ালিকায় গ্রাম বাংলার নবান্ন উৎসব ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখা ছড়া ও কবিতা এবং তাদের হাতে আঁকা ছবি স্থান পেয়েছে। তারা তাদের আঁকা ছবিতে গ্রামীণ জনপদের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীনতম উৎসব নবান্নের চিরচেনা দৃশ্যকে ফুটিয়ে তুলেছেন।

নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিবলী রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির ছোট ছোট শিশুদের প্রতিভাকে জাগ্রত করার মানসে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

সৈয়দপুর উপজেলার সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মরিয়ম নেছা বলেন, এক সময় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী উৎসব ছিল নবান্ন উৎসব।

বাঙালির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জড়িয়ে রয়েছে এ নবান্ন উৎসবকে ঘিরে। এ উৎসব বাঙালি জাতিকে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ করে। কিন্তু কালের পরিক্রমায় আজ তা হারিয়ে যেতে বসেছে। এখন গ্রামগঞ্জে আর সেদিন নেই। এখন নবান্ন উৎসব পালন করা হয় না। ফলে শিশুরা এ উৎসব সম্পর্কে বিশদ জানে না। এ উৎসবের ইতিহাস আজকের শিশুরা বাবা-মা, দাদা-দাদী ও নানা-নানীর মুখে শুনে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর