শেখ দীন মাহমুদ::
১৯৯৯-২০২৫, মাত্র ২৫ বছরের রাজনৈতিক কাল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে শুরু করে যুবদল এরপর বিএনপির নেতৃত্ব। বন্ধুর তবে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চেতনায় ভাস্বর রাজপথে দু:সময়ের কান্ডারী কর্মী বান্ধব তরুণ নেতৃত্বের অপরাজেয় নাম তহিদুজ্জামান মুকুল।
শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৯৯ সালে কপিলমুনি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ। শুরুতেই নেতৃত্ব কাঁধে নিয়ে অল্প দিনেই নিজেকে জানান দেন তৃণমূলের ছাত্র নেতা হিসেবে। কর্মী বৎসল, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও দক্ষ নের্তৃত্ব কিছু দিনের মধ্যেই তাকে কপিলমুনির গন্ডি পেরিয়ে পরিচিতি এনে দেয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে। পতিত ফ্যাসিস্ট শাষনামলে বন্ধুর রাজনৈতিক পথ পরিক্রমায় কঠোর প্রজ্ঞা ও দক্ষ কর্মী বাহিনী নিয়ে তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলার রাজপথ কাপানো নিয়মিত সরব উপস্থিতি পরীক্ষিত জিয়া সৈনিক হিসেবে তাকে পৌছে দেয় অনন্য উচ্চতায়।
কলেজ ছাত্রদলের পর থানা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর স্থান পান জেলা ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে। এরপর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি। পাইকগাছা থানা যুবদলের আহ্বায়কের পদে আসীন থাকাবস্থায় সদ্য গঠিত থানা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন নিজের নাম।

জাতীয়তাবাদী চেতনায় সংযোগী সংগঠনগুলোর প্রায় প্রতিটি শাখায় বিচরন তার। তৃণমূলের নেতৃত্ব কাঁধে নিয়ে সাধারণ কর্মীদের খুব কাছে পৌছানোর সৌভাগ্য হয়েছে তার। কর্মীরাও খুশী তাকে নেতৃত্বে পেয়ে। রাজনৈতি প্রোগ্রামে চলতে পথে কখনো কখনো আবেগে কারো উপর চড়াও হন তিনি, সেখানেও নাকি আপন আপন মনে হয় সংশ্লিষ্টজনের।
সর্বশেষ সদ্য ঘোষিত উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটিতে লোভনীয় স্বপ্ন ছুঁয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। স্বপ্নছোঁয়ার খবরে প্রিয় সংগঠন যুবদলের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে পৌছাচ্ছেন নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে। এসময় অনেককে জড়িয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারছেননা তিনি। পতিত ফ্যাসিস্ট শাষনামলে প্রতিমূহুর্ত বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে তৃণমূলের যুবাদের বগলদাবা করেছিলেন, অধিকাংশ এলাকার বিভেদ দূর করে ঐক্যবদ্ধ করতে পেরেছেন। কারো কাছে তিনি লিডার নন, সবার ভাই হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
তহিদুজ্জামান মুকুলের আদি বাড়ি পাশের গ্রাম তালার মাছিয়াড়ায়। দূরন্ত শৈশবে বড় ভাই ঐ জনপদের প্রগতিশীল ছাত্রনেতা কামরুজ্জামান ভুট্টোর হাত ধরে রাজনৈতিক ময়দানে পদচারনা শুরু। তবে অল্প দিনেই হায়েনার বুলেট বড় ভাইয়ের বুক বিদির্ণ করার পর মূলত বাড়ি ছাড়া হয়ে পাইকগাছার কপিলমুনিতে স্থায়ী হন ছোট্ট মুকুল। পড়ালেখার পাশাপাশি শুরু হয় তার ব্যবসা ও রাজনৈতিক জীবন। সেই থেকে সত্যের পথে বিপ্লবী চেতনায় ছুটে চলেছেন তহিদুজ্জামান মুকুল। এ গতি থামবার নয়।
তহিদুজ্জামান মুকুল জনপদের তারণ্যের এক অহংকারের নাম। শহীদ জিয়ার আদর্শে লালিত এ তরুণ নেতা মজলুম জননেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা, দেশনায়ক তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, জেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মন্টুসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।