পাইকগাছার জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির আত্মসাৎকৃত টাকা ফিরে পেতে গ্রাহকদের মানববন্ধন
প্রকাশিত :
রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫
২১৫
বার পঠিত
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি:
খুলনার পাইকগাছার বহুলালোচিত জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির আত্মসাৎকৃত টাকা ফিরে পেতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে গ্রাহকরা। রোববার (২৫ মে) সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে বিক্ষুদ্ধ গ্রাহকরা সমিতির প্রায় ২২’শ গ্রাহকের ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎকারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের মহিলা সম্পাদিকা ও সমিতির আদায়কারী সাবেক কাউন্সিলর কবিতা দাশ, সমিতির নির্বাহী পরিচালক আওয়ামী লীগের সাবেক কাউন্সিলর আলাউদ্দিন গাজী, সভাপতি মোহাম্মদ আলী গাজী ও আদায়কারী সালমা বেগম কে গ্রেফতার করে গ্রাহকদের পাওনা অর্থ ফেরত এবং পৌরসভা বিএনপির মোস্তফা মোড়ল এর দলীয় যুগ্ম আহবায়ক পদের অব্যাহতি প্রত্যাহার করে তাকে স্বপদে বহাল করার দাবিতে উক্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল পালন করে।
এসময় ভুক্তভোগী গ্রাহকরা উক্ত দাবি সম্বলিত বিভিন্ন প্যানা, ফেস্টুন ও প্লা কার্ড নিয়ে এতে অংশ নেয়। মানববন্ধন শেষে গ্রাহকরা বিক্ষোভ মিছিল করে উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে তাদের পাওনা টাকা ফেরত সহ সমিতির আলাউদ্দিন, কবিতা, মোহাম্মদ ও সালমা’র গ্রেফতার এবং বিএনপি নেতা মোস্তফা’র দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এসময় বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা ইমদাদুল হক, যুবদল নেতা আবু হুরায়রা বাদশা, সিরাজুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, আলাউদ্দিন মোড়ল, সাজ্জাদ আলী ফকির, মুন্নী বেগম, মনিরুল ইসলাম, নাজমা বেগম, আজহারুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান, শাহিদা বেগম, আব্দুল হামিদ, ময়না বেগম, বিশ্বনাথ সাধু, শহিদুল ইসলাম, শরিফা বেগম, ও খুকুমণি।
পরে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির গ্রাহকদের সাথে কথা বলেন। এসময় সমবায় বিভাগের এ কর্মকর্তা বলেন টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয় নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানার ওসি’র সাথে কথা বলা হয়েছে। গ্রাহকরা যাতে দ্রুত টাকা ফেরত পায় প্রশাসন এবং সমবায় বিভাগ থেকে সর্বাত্মক সহোযোগিতা এবং চেষ্টা করা হবে।
প্রসঙ্গত, সমিতির সাধারণ গ্রাহকরা প্রায় ৩ বছরেরও অধিক সময় যাবত তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। মাঝপথে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতে দৃশ্যমান কোন সমাধান না পেয়ে পুনরায় তাদের টাকা ফেরত পেতে আন্দোলন শুরু করেছে। এসময় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাড়াতে সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান গ্রাহকরা।