1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সৈয়দপুরে উৎসবের আমেজে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত পাইকগাছায় পানির তোড়ে নির্মানাধীন রাস্তা ভেঙ্গে লোকালয়ে লোনা পানি, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী খুলনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সরকার ক্রস-বর্ডার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে -শিক্ষা মন্ত্রী বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচি শার্শায় ২ শিশু সন্তানকে হত্যার পর পিতার আত্মহত্যা! সাবেক স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে মালয়েশিয়া প্রবাসী ক্রেন চালকের আত্মহত্যা শিক্ষায় বরাদ্দ ৫ শতাংশে নিতে চান প্রধানমন্ত্রী: কুয়েটের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী মাদক চোরাচালান বন্ধে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কিডনি ড্যামেজ হওয়ার যে ৬ লক্ষণ অবহেলা করবেন না

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫
  • ২৬১ বার পঠিত
sick-12211

লাইফস্টাইল ডেস্ক ::


কিডনির ক্ষতি প্রাথমিক পর্যায়ে খুব একটা টের পাওয়া যায় না। যে কারণে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (CKD) হওয়ার আগে এর প্রাথমিক লক্ষণ বুঝতে পারা গুরুত্বপূর্ণ। যেসব লক্ষণ চোখ এড়িয়ে গেলে কিডনি ফেইলিওরের মতো ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে। তবে আগেভাগে সতর্কতা সংকেতগুলো চিনতে পারলে সমস্যার প্রতিকার করা সহজ হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. ফেনা বা বুদবুদযুক্ত প্রস্রাব

কিডনির ক্ষতির প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রস্রাবে ক্রমাগত ফেনা বা বুদবুদ। এই পরিস্থিতির নাম প্রোটিনুরিয়া। এর অর্থ হলো কিডনির ফিল্টারিং ইউনিট গ্লোমেরুলি প্রোটিনকে, যেমন অ্যালবুমিনকে প্রস্রাবে প্রবেশ করতে দিচ্ছে। স্বাভাবিক কিডনি সাধারণত প্রচুর প্রোটিন প্রবেশ করতে দেয় না, তাই খালি চোখে দৃশ্যমান ফেনা একটি সতর্কতা সূচক যা চিকিৎসকের দ্বারা পরীক্ষা করা উচিত।

২. গোড়ালি, পা বা চোখের চারপাশে ফোলাভাব

কিডনি সোডিয়াম এবং তরল ভালোভাবে ফিল্টার করতে সক্ষম না হলে অতিরিক্ত পানি এবং লবণ শরীরে জমা হয়। এটি সাধারণত দৃশ্যমান ফোলাভাব সৃষ্টি করে, বিশেষ করে গোড়ালি, পা এবং চোখের চারপাশের অংশে। বিশেষ করে সকালের সময় এসব স্থানে ফোলাভাব সাধারণত অকার্যকর কিডনি পরিস্রাবণের কারণে পানি ধরে রাখার ফলে হয়।

৩. প্রস্রাব বৃদ্ধি, বিশেষ করে রাতে

কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো প্রস্রাবের ধরণ পরিবর্তন। এতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ঘন ঘন প্রস্রাব করার তাগিদ অনুভব করেন, বিশেষ করে রাতে। একে নকটুরিয়া বলা হয়। কিডনি ভালোভাবে প্রস্রাব ঘনীভূত করতে না পারলে এমনটা ঘটে। তাই প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং ঘন ঘন প্রস্রাব করার প্রয়োজন দেখা দেয়।

৪. ক্লান্তি এবং দুর্বলতা

সুস্থ কিডনি এরিথ্রোপয়েটিন তৈরি করে। এটি একটি হরমোন যা লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সাহায্য করে। ক্ষতিগ্রস্ত কিডনি এই হরমোন কম নিঃসরণ করে, যার ফলে রক্তস্বল্পতা হতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ কিডনি কার্যকারিতার কারণে রক্তে টক্সিন জমা হওয়ার ফলে এই লক্ষণগুলো দেখা দেয়।

৫. অনবরত চুলকানি

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের ফলে রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমা হতে পারে। যার ফলে তীব্র চুলকানি হয়, যাকে প্রুরিটাসও বলা হয়। এই চুলকানি সাধারণত স্থায়ী হয়, টপিকাল লোশন বা ক্রিম প্রয়োগ করলেও উপশম হয় না। এটি রাতে আরও বেশি হতে পারে।

৬. ক্ষুধামন্দা

হঠাৎ ক্ষুধা কমে যাওয়াও হতে পারে কিডনির সমস্যার লক্ষণ। রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমা হলে তা হজম ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে। যার ফলে বমি বমি ভাব, মুখে দুর্গন্ধ, এমনকি বমিও হতে পারে, যা খাবারের প্রতি আগ্রহ হ্রাস করে।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর