1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সবকিছু ভুলে দলের সুনাম বাড়াতে আমরা একসাথে কাজ করবো—সৈয়দপুরে এমপি বিলকিস ডুমুরিয়াসহ খুলনায় চাহিদার তুলনায় সাড়ে ৩ লক্ষর বেশি কোরবানীর পশু উৎপাদন কয়রায় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন শ্যামনগরে মুক্তিপণের দাবিতে জলদস্যু ডব বাহিনীর হাতে জিম্মি অনিমেষ, ৩ জলদস্যু আটক সৈয়দপুর পৌরসভায় নানামুখী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরইউটিডিপি কর্মশালা শুরু পাইকগাছার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও বিদ্যুতের গ্রীড উপকেন্দ্রের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনে এমপি সাংবাদিক আঃ রউফের পিতার মৃত্যুতে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক কেশবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত জবাবদিহির সংস্কৃতি ও স্বাধীন গণমাধ্যম: বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৬ খুলনা-৬ এমপি’র লক্ষ্মীখোলা কলেজিয়েট স্কুল ও খড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শন

ডুমুরিয়াসহ খুলনায় চাহিদার তুলনায় সাড়ে ৩ লক্ষর বেশি কোরবানীর পশু উৎপাদন

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ৫৫ বার পঠিত
dumuriya- ১৬৪৬৯
  • শেখ মাহতাব হোসেন (ডুমুরিয়া) খুলনা::

আসন্ন ঈদুল আজহায় এবার কোরবানীর পশু সংকট নেই। চাহিদার তুলনায় পশু উৎপাদন বেশি থাকায় এবার দামও ক্রেতাদের নাগালে থাকার আশা করা হচ্ছে।

খুলনা বিভাগে এবার ১০.৭৯ লাখ পশুর চাহিদার বিপরীতে প্রায় ১৪.৪৭ লাখ কোরবানির পশু রয়েছে। এদিকে পরপর তিনবার টেন্ডার আহবান করেও কোন সাড়া না পাওয়ায় বরাবরেরমতো এবারও জোরাগেট পশুর হাট পরিচালনা করবে খুলনা সিটি করপোরেশন কেসিসি)।

জানতে চাইলে খুলনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিওএলএস) পরিচালক ড. মোহাম্মদ গোলাম হায়দার বলেন, এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা প্রায় ১০.৭৯ লাখ, যেখানে গত বছর তা ছিল প্রায় ৮.২৯ লাখ। কিন্তু এ বছর পবিত্র ঈদুল আজহার আগে কোরবানির পশুর দাম কমানোর জন্য ১৪.৪৬ লক্ষ পশু প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি বলেন, এখন স্থানীয় পশু দিয়েই শতভাগ চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে, কারণ বিভাগে মোট ৩,৬৭,৩৬০টি উদ্বৃত্ত পশু থাকবে, যা চাহিদার চেয়ে ৭৪.৬১ শতাংশ বেশি।

যেহেতু চাহিদার তুলনায় সরবরাহ পর্যাপ্ত, তাই দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

‘ঈদুল আজহার আগেই বিভাগের ১০টি জেলা এবং খুলনা শহরের অস্থায়ী পশুর হাটে বিপুল পরিমাণে কোরবানির পশু আনা হবে। ফলে খুলনার চাহিদা মেটাতে অন্য দেশ থেকে পশু আমদানি করার কোনো প্রয়োজন নেই’ বলে জানান এই কর্মকর্তা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভাগের দশ জেলায় ১০,৭৯,৪৪৯টি কোরবানির পশুর চাহিদার বিপরীতে ৩,৬৭,৩৬০টি উদ্বৃত্ত রেখে মোট ১৪,৪৬,৮০৯টি কোরবানির পশু স্থানীয়ভাবে পালন করা হয়েছে।

এ বছরের কোরবানির পশুগুলোর মধ্যে রয়েছে ষাঁড় ১,৩০,৪২৭টি, বলদ ৩২,০২৭টি, গরু ৮২,৩০২টি, মহিষ ৪,০৮৯টি, ছাগল ৮, ৫১,৩৭০টি, ভেড়া ৫১,১৭৩টি এবং অন্যান্য ২১৬টি।

রূপসা উপজেলার সামন্তসেনা গ্রামের এক খামারের মালিক সাহাবুদ্দিন আহমেদ জানান, পশুখাদ্যের দাম বাড়ার কারণে এ বছর পশুর দাম কিছুটা বেশি হবে।

ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষক মো. দিদারুল আলম বলেন, তিনি প্রায় এক বছর ধরে শুধু ঘাস, ভুট্টা, গমের ভুসি ও স্থানীয় পশুখাদ্য ব্যবহার করে সাতটি দেশি গরু পালন করছেন, পশুগুলোকে সুস্থ এবং ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলেছেন।

লিয়াকত হোসেন নামে আরেকজন কৃষক তাঁর পারিবারিক পশুপালনের ঐতিহ্য বজায় রেখেছেন এবং পরে টিপনা গ্রামে তাঁর ভাইদের সাথে আট কাঠা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে এই চাষাবাদ শুরু করেন। তাঁদের খামারে এখন গরুর পাশাপাশি দেশি
ও বিদেশি ছাগলও রয়েছে।

এদিকে খুলনা বিভাগের বেশ কিছু জেলায় গবাদি পশুর হাট বসতে শুরু করেছে, যদিও ব্যবসায়ী ও ইজারাদাররা বলছেন, আরও এক সপ্তাহের মধ্যে পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশুর হাটের জন্য তিন দফায় টেন্ডার আহবান করেও সাড়া পায়নি কেসিসি

এদিকে খুলনার জোড়াগেটে কোরবানির পশুর হাট নিয়ে তিন দফায় টেন্ডার আহবান করা হলেও কোনো ঠিকাদার অংশ নেয়নি। ফলে ৪র্থ ও শেষ দফায় টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। সোমবার টেন্ডার ওপেন করা হয়। সেখানে কেউ অংশ না নিলে নিয়ম অনুযায়ি হাট পরিচালনার দায়িত্ব নিবে কেসিসি। গত বছর কোরবানীর পশুর হাট পরিচালনা করে কেসিসি ২ কোটি ৭ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করেছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কোরবানির হাট পরিচালনার জন্য গত ১২ মার্চ প্রথম দফায় টেন্ডারের আহবান করে কেসিসি। তখন এ টেন্ডারের ব্যাপারে কেউ কোনো সাড়া না দেওয়ায় পরবর্তীতে ৩১ মার্চ ও ৯ এপ্রিল আবারও টেন্ডারের আহবান করে। কিন্তু তখনও কেউ সাড়া না দেওয়া পরবর্তীতে আবার ২৩ এপ্রিল পত্রিকায় টেন্ডারের আহবান জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো
ঠিাকাদার এ টেন্ডারের আহবানে সাড়া দেয়নি। কাল সোমবার টেন্ডার ওপেনিংয়ের দিন ধার্য রয়েছে। যদি কেউ অংশ না নেয় তাহলে সিটি করপোরেশন নিজেই হাট পরিচালনার দায়িত্ব নেবে।

জানতে চাইলে কেসিসির বাজার শাখা কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদার বলেন, কোরবানির পশুর হাটের দর ওঠানো হয়েছে দুই কোটি ৩০ লাখ টাকা। তিনবার আহবান করা হয়েছে। কোনো সাড়া মেলেনি। চতুর্থ বারা ডাকা হয়। কাল সোমবার টেন্ডার ওপেনিংয়ের দিন ধার্য রয়েছে।

তিনি বলেন, যদি কোনো ঠিকাদার অংশ না নেয় তাহলে হাট পরিচালনারা দায়িত্ব নেবে সিটি করপোরেশন। গত বছরও টেন্ডার আহবান করা হলেও কেউ সাড়া দেয়নি। ফলে কেসিসি দায়িত্ব নিয়ে হাট পরিচালনা করে দুই কোটি সাত লাখ টাকা রাজস্ব আয় করেছিল। গত বছরে হাসিলের পরিমান ছিল ৪ শতাংশ। এবারও হাসিলের পরিমান একই থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, হাটে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকবে। পশু ও মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য রাখা হবে মেডিকেল টিম। হাটে এসে কেউ যেন প্রতারণার শিকার না হয় সেজন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর জোর টহল থাকবে।

তাছাড়া নকল টাকা প্রতিরোধে থাকবে বিভিন্ন ব্যাংকের বুথ। এক সপ্তাহ আগে থেকে হাট শুরু করতে হবে। ইতিমধ্যে হাট পরিচালনা করার জন্য কেসিসি সচিব (ভারপ্রাপ্ত) রহিমা খাতুন বুশরাকে আহবায়ক ও বাজার শাখার কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদারকে সদস্য সচিব করে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর