স্থানীয় মৌচাষী ফতেমা খাতুন বলেন, আমাদের অঞ্চলে বাক্স পদ্ধতিতে এর আগে কখনো মধু চাষ হত না। এই প্রথম আমরা প্রত্যাশী এনজিওর সহযোগীতায় প্রশিক্ষন পেয়ে একটি বাক্স দিয়ে মধুর চাষ শুরু করেছি। বক্স পদ্ধিতে বাণিজ্যিক ভাবে মধু চাষ করে আমরা সফল হয়েছি। আগামীতে আরো বড় পরিসরে মধুচাষ বাড়াবো।
মেলায় বিভিন্ন স্টলে মৌচাষিদের উৎপাদিত খাঁটি মধু, মৌচাষের সরঞ্জাম এবং মধুভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করা হয়। দর্শনার্থীরা স্টল পরিদর্শন করে মধুর গুণাগুণ ও মৌচাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, মৌচাষ পরিবেশবান্ধব ও লাভজনক একটি জীবিকা।
সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে কমিউনিটি ভিত্তিক মৌচাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।