1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
অর্থের অভাবে মাকে মাঠে এনে খেলা দেখাতে পারিনি : কেপ ভার্দের নায়ক ভোজিনিয়া পাইকগাছায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সৈয়দপুরে ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের উদ্বোধন সুন্দরবনের অজগার সাপ লোকালয়ে উদ্ধারের পর গহীনে বনেই অবমুক্ত কয়রায় জামায়াত কর্মীকে ‘এমপির এপিএস’ বলে অপপ্রচার, এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ সৈয়দপুরে ক্লাশ চলাকালে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় ভবন পরিত্যক্ত ঘোষনা, সীলগালা কয়রায় ইউপি সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ে প্রশিক্ষন শার্শা উপজেলা কিশোর-কিশোরী ক্লাব ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা সাতক্ষীরায় ক্রীড়া কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধন বিশ্বকাপ অভিষেকেই স্পেনকে রুখে দিলো কেপ ভার্দে

অর্থের অভাবে মাকে মাঠে এনে খেলা দেখাতে পারিনি : কেপ ভার্দের নায়ক ভোজিনিয়া

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত
cep-16786
  • দীপ্ত নিউজ ডেস্ক ::

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠের ওপর হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন তিনি। দু-হাতে মুখ ঢেকে যখন কাঁদছিলেন, তখন চারপাশ থেকে ছুটে এলেন সতীর্থরা। কেউ তাকে জড়িয়ে ধরলেন, কেউ বা মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতে লাগলেন। তবে কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার চোখের সেই জল কেবল ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ ছিল না, তা ছিল একটি ছোট্ট দেশের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় রূপকথা লেখার আনন্দাশ্রু।

বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম ফেভারিট পরাশক্তি স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়েছে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ কেপ ভার্দে। আর এই অবিশ্বাস্য ও মহাকাব্যিক ড্রয়ের একক নায়ক ৪০ বছর বয়সী প্রবীণ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া।

ম্যাচজুড়ে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডদের একের পর এক বুলেটের মতো শট রুখে দিয়ে তিনি একাই বনে গেছেন ম্যাচের সেরা তারকা।

ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের কান্নার পেছনের আসল কারণটি প্রকাশ করেন ভোজিনিয়া। আবেগঘন কণ্ঠে এই কৃতী গোলরক্ষক বলেন, ম্যাচের পর আমি আসলে নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। ছোটবেলায় আমি আমার দাদা-দাদির কাছে বড় হয়েছি। আজ বিশ্বমঞ্চে আমার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি দেখার জন্য তারা বেঁচে নেই, কয়েক বছর আগেই তারা মারা গেছেন। সবচেয়ে বড় কষ্ট, আমার মা-ও আজ গ্যালারিতে থাকতে পারেননি। ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে সময়মতো মায়ের জন্য সবকিছু করা সম্ভব হয়নি।

ভোজিনিয়ার এই জীবনসংগ্রাম ও আবেগ ছুঁয়ে গেছে পুরো ফুটবলবিশ্বকে। বিবিসির জনপ্রিয় ফুটবল বিশ্লেষক ও সাবেক স্কটিশ উইঙ্গার প্যাট নেভিন লিখেছেন, পুরো ম্যাচেই আলো ছড়িয়েছেন ভোজিনিয়া। ৪০ বছর বয়সে দাঁড়িয়ে বিশ্বমঞ্চে তিনি যা করে দেখালেন, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। ম্যাচ শেষে মাঠের সব ক্যামেরা ছিল তার দিকে। সতীর্থরা আঙুল উঁচিয়ে বিশ্বকে দেখিয়ে দিচ্ছিলেন যে, এটাই তাদের আসল সুপারহিরো।

সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার লি ডিক্সনও কেপ ভার্দের এই দেয়ালকে প্রশংসায় ভাসিয়ে বলেন, দৃশ্যটি দেখে আমি সত্যিই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম। স্পেনের বিপক্ষে এই মূল্যবান ১টি পয়েন্ট কেপ ভার্দের শতভাগ প্রাপ্য ছিল। আজকের রাতটা শুধুই তাদের। ভোজিনিয়াকে ওভাবে কাঁদতে দেখে আমার নিজের চোখেই প্রায় পানি চলে এসেছিল।

একটি ছোট্ট দেশের সীমাবদ্ধতা আর এক মায়ের অপূর্ণ ইচ্ছার গল্পকে ছাপিয়ে ভোজিনিয়া আজ কোটি ফুটবল ভক্তের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর