জানাযায়, মাগুরা দায়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা কেসমত আলী সোমবার সকাল ৬টার দিকে তার মৎস্য ঘেরের টোঙের লাইট বন্ধ করতে গিয়ে মৎস্য ঘেরের মধ্যে এক যুবককে বিবস্ত্র অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তাৎক্ষণিক সে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রামবাসীদের খবর দেয়।
এরপর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে মরদেহটি কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে সুমনের বলে শনাক্ত করেন।
এসময় ওই ঘের থেকে লোহা কাটা দুইটি ব্লেড, একটি বাটন মোবাইল, সিগারেটের প্যাকেট এবং পল্লী বিদ্যুতের ৩৩হাজার ভোল্টের কাটা তার উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, নিহত সুমনের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সঞ্চার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা ধারণা করছে কে বা কারা তাকে হত্যা করে কেসমত আলীর মৎস্য ঘেরে মরদেহ ফেলে রেখে গিয়ে থাকতে পারে।
কারো কারো ধারণা সংঘবদ্ধ চোর চক্র পল্লী বিদ্যুতের তার চুরি করার সময় সুমন তাদের দেখে ফেললে তারা নিজেদের আড়াল রাখতে সুমনকে হত্যা করে ফেলে রেখে যেতে পারে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানা পুলিশ জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও পুলিয়ি তদন্তে মৃত্যুর কারন দ্রত উদঘাটন হবে বলেও এসময় আশ্বস্ত করা হয়।