1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ফাইনালে যত ষড়যন্ত্রতত্ত্ব: খেলোয়াড়দের পরিবারকে হুমকি, ফিফা-উয়েফার সমঝোতা! অতিবৃষ্টি ও হরি ভদ্র নদী ভরাট: ডুমুরিয়ার ডোমরা বিলে জলাবদ্ধতায় চরম ঝুঁকি পাইকগাছার সাংবাদিক আব্দুল গফুরের মায়ের ইন্তেকাল: শোক ডুমুরিয়ার‌ খর্নিয়া হরি ভদ্র নদী ডোমরা বিলের দুর্গত এলাকা পরিদর্শন উপজেলা প্রশাসন সৈয়দপুরে কৃষক দলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গা কলেজে জেলা পরিষদের প্রশাসককে সংবর্ধনা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত পদত্যাগের পরেও যেসব সুবিধা পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে কিছু জানি না : স্পিকার পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

ফাইনালে যত ষড়যন্ত্রতত্ত্ব: খেলোয়াড়দের পরিবারকে হুমকি, ফিফা-উয়েফার সমঝোতা!

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত
argeloss-17114

পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে  চলা আর্জেন্টিনা ফাইনালে গিয়ে কেন এমন নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ল। স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের উদ্দেশ্যে ‘শান্ত হও, শান্ত থাক’ কেন বলেছিলেন লিওনেল মেসি। আলবিসেলেস্তেদের হারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্ত-সমর্থকরা নানা ধরনের ষড়যন্ত্রতত্ত্বের গন্ধ পেয়েছেন।


যদিও আর্জেন্টিনার ম্যানেজার লিওনেল স্কালোনি, কিংবদন্তি ফুটবলার মারিও কেম্পেস ও আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এসব গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তবুও কয়েকটি দাবি অনলাইনে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।

বল গোললাইন অতিক্রম করার দাবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু ব্যবহারকারীর দাবি, পাউ কুবার্সির দিক পরিবর্তনকারী শটটি প্রকৃতপক্ষে গোললাইন অতিক্রম করেছিল। এর প্রমাণ হিসেবে বলের ছায়া বা ট্র্যাকিং চিপে কারচুপির অভিযোগ তোলা হয়।

খেলোয়াড়দের পরিবারকে হুমকি

ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে ভিত্তিহীন দাবি করা হয়েছে। এ কারণে নাকি অনেক পরিবারের সদস্য স্টেডিয়ামে যাননি বলে রটানো হয়।

শেষ মুহূর্তের ডোপিং পরীক্ষা

ফিফা নাকি আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতে ম্যাচের ঠিক আগে আকস্মিক ডোপিং পরীক্ষা করায়—এমন গুজব ছড়ায়। তবে ফিফা স্পষ্ট করেছে যে এটি সাধারণ নিয়ম মেনেই করা হয়েছিল।

বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও ক্রীড়া চুক্তি

সেমিফাইনালের পর আর্জেন্টিনা দলের ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ব্যানার প্রদর্শনের জেরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, স্পেনের রাজা, প্রিমিয়ার লিগ এবং ক্লাব কর্তারা (ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ) মিলে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে পরিকল্পনা করে—এমন একটি তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়ে।

ব্রিটিশ সরকার ও ফিফার চাপ

রটানো হয় যে ফকল্যান্ড ব্যানারের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া এড়াতে ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো লিওনেল মেসিকে ট্রফি ছেড়ে দিতে বাধ্য করেছিলেন।

পরপর চ্যাম্পিয়ন না করার ফিফা নীতি

বাণিজ্যিক, সম্প্রচার এবং ইউরোপীয় রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় ফিফা নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো দেশকে পরপর দুইবার বিশ্বকাপ জিততে না দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেছে।

ইনফান্তিনো ও উয়েফার সমঝোতা

২০২৭ সালের নির্বাচনে ইউরোপীয় ভোট নিশ্চিত করতে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো উয়েফার সাথে চুক্তি করে কোনো ইউরোপীয় দেশকে ট্রফি দিয়েছেন বলে গুঞ্জন ছড়ায়।

এফবিআই গ্রেফতারের মানসিক চাপ

ম্যাচের ঠিক আগে স্টেডিয়াম থেকে এএফএ সভাপতি ক্লাউডিও তাপিয়াকে এফবিআই গ্রেফতার করার পরিকল্পনা করেছে—এমন ভুয়া খবরে দল মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।

ফ্রিম্যাসনরি ও ‘ক্ষমতা হস্তান্তর’ আচার

শিশু লামিনে ইয়ামালকে মেসির গোসল করানোর একটি পুরোনো ছবিকে অদ্ভুতভাবে ফ্রিম্যাসনিক আচার হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়, যার মাধ্যমে নাকি দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ইউরোপে ফুটবলের আধিপত্য হস্তান্তরিত হয়েছে!

ম্যাচ ফিক্সিং ও জুয়ার প্রভাব

লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর ইনজুরি এবং ম্যাচে গোলমুখে আর্জেন্টিনার কোনো শট না থাকার বিষয়টিকে কৌশলগত ব্যর্থতার বদলে বেটিং চুক্তির ফল বলে দাবি করা হয়।

ভূরাজনৈতিক লেনদেন

স্পেন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার বিনিময়ে বিশ্বকাপ শিরোপা নিশ্চিত করেছে, এমন একটি দাবিও ছড়িয়ে পড়ে।

কালো জাদু ও শক্তি শোষণ

ম্যাচের সময় আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের ‘শক্তি শোষণ’ করা হয়েছিল। তাদের ওপর কালো জাদু প্রয়োগ করা হয়েছিল বলে কিছু অতিপ্রাকৃতিক দাবি ওঠে।

রেফারি বিতর্ক ও পুনরায় ম্যাচের দাবি

রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভক্ত-সমর্থকরা। তার পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। একই সঙ্গে কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত স্পেনের পক্ষে গিয়েছিল বলে দাবি তাদের। ফাইনাল ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের দাবিতে হাজার হাজার সমর্থক অনলাইন পিটিশনে স্বাক্ষর করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর