1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কয়রায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরন হরিঢালী ইউনিয়ন বালিকা মা: বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুধাংশু শেখরের ঘুষ বাণিজ্যের খবর প্রকাশে সাংবাদিক ম্যানেজে ব্যস্ত সময় পার! খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রনব ঘোষ বাবলু স্বপদে বহাল সাতক্ষীরায় নিরাপদ পানি সরবরাহ ও বিপণন বিষয়ে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত কয়রায় ‘প্রতিষ্ঠা’ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত ডুমুরিয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল খাদ্য উৎপাদন, স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে! কয়রায় বাবলার বীজ রোপনের মাধ্যমে বৃক্ষ রোপন কয়রায় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বসতবাড়ীর উদ্বোধন ও গাছের চারা বিতরন সৈয়দপুরে ১ হাজার পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার : দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কয়রায় মিথ্যা অভিযোগে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পাইকগাছায় প্রাথমিকের ক্লাসরুমে ঢুকে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে জুতাপেটা শিক্ষকের স্ত্রীর!

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৭ বার পঠিত
model-school-paikgacha-17126
  • নিজস্ব প্রতিবেদক ::

খুলনার পাইকগাছা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে তার শ্রেণিকক্ষে ঢুকে জুতাপেটা করেছেন একই শ্রেণির অপর শিক্ষার্থীর মা। আর এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর বিচার দাবি করে অভিযোগ করেছেন, ঘটনার শিকার ছাত্রের পিতা উপজেলার খড়িয়া বিনাপাণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম।

গত ১৫ জুলাই বিদ্যালয় চলাকালে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ১৫ জুলাই প্রথম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে এক শিক্ষার্থীর খাতায় দাগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই সহপাঠির মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী শিশু শিক্ষার্থীও অনুরুপ অপর শিক্ষার্থীর জামায় কলম দিয়ে দাগ দেয়। পরে ওই শিশু বিষয়টি তার মাকে জানায়।

অভিযোগে বলা হয়, দ্বিতীয় ঘটনায় শিক্ষক ওয়াশরুমে যাওয়ার সুযোগে ওই শিক্ষার্থীর মা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে নিজ পায়ের জুতা খুলে ভুক্তভোগী শিশুকে মারধর করেন। এতে শিশুটি শারীরীক ও মানষিকভাবে আহত হয়।

সিরাজুল ইসলামের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বরের প্রভাব খাটিয়ে তার স্ত্রী প্রতিদিন নিজের সন্তানকে প্রথম বেঞ্চে বসান। এছাড়া তার দুর্ব্যবহারে অন্য অভিভাবকরাও রীতিমত অতিষ্ঠ।

ঘটনার বিষয়ে জানার পর সিরাজুল ইসলাম প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ হলে তিনি বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এরপর গত ২২ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ চারজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে বিষয়টির তদন্ত করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুর রহমান লিটু বলেন, তদন্তের সময় অভিযুক্ত নারী ওই শিক্ষার্থীকে জুতাপেটা করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হবে। একজন অভিভাবকের এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এব্যাপারে অভিযুক্ত অভিভাবকের স্বামী ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রত্নেশ্বর’র নিকট তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হয়ে গেছে। এখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টির ডিসিশন নিবেন।

সর্বশেষ এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর