1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
দাবদাহের কবলে দক্ষিনাঞ্চল, জনজীবন ও কৃষিতে বড় সংকট ডুমুরিয়ায় ডুমুরিয়ায় বিলুপ্তির পথে কদম গাছ, উঁকি দিচ্ছে থোকায় থোকায় বাহারি ফুল যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে চুকনগরে নিসচার মানববন্ধন কপিলমুনিতে মাদকাসক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কুপিয়ে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগ গজারিয়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু মুন্সীগঞ্জের টংগীবাড়ীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্থ পাইকগাছা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ক্যারিয়ার সেমিনার পাইকগাছায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ‘হিট অ্যাকশন ডে’ কর্মসূচির উদ্বোধন ঈদ আনন্দে মণিরামপুরের খালিয়া গ্রামের মাঠে গ্রামীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মাতোয়ারা নারী-পুরুষ কয়রায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে মৎস্য ঘের লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বোর্ড পরিচালক নির্বাচনের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ৯৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক::

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বোর্ড পাইকগাছা পরিচালক নির্বাচনের অভিযোগ উঠেছে। তপশীল অনুযায়ী অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সোমবার (৭ নভেম্বর) ৭০ হাজার ৮১৮ জন ভোটারের মধ্যে মাত্র ৪৪৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। যেখানে ৪৩২ ভোট পেয়ে মাছ প্রতীকের প্রার্থী মুনসুর আলী সরদারকে নির্বাচিত দেখানো হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে সাবেক পরিচালক এম মাহমুদ আসলাম মাত্র টেলিভিশন প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ ও মো: জাহাঙ্গীর আলম ছাতা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ ভোট।

যদিও নির্বাচন প্রসঙ্গে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় পবিস সাবেক সচিব ও বর্তমান পরিচালক এবং চলতি নির্বাচনের অন্যতম প্রতিদ্বন্দি এম মাহমুদ আসলাম বলেন, চলতি নির্বাচনের অন্যতম প্রার্থী শেখ মাসুদুর রহমানের প্রার্থীতা বাতিল হওয়ায় আদালতে দায়ের করা মামলায় নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিতাদেশের বিষয়টি জানতে পেরে নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে সরে যান। তবে সর্বশেষ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক ভোটাররাও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। সব মিলিয়ে বিষয়টি দু:খজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে অভিযোগে বলা হয়, খুলনা পবিস বোর্ডের পাইকগাছা ৬নং এলাকা পরিচালক নির্বাচনে তপশীল অনুযায়ী ১০ অক্টোবর মনোনয়ন বিক্রি শুরু হয়। এরপর ১৬ অক্টোবর মনোনয়নপত্র বাছাইতে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জনকে বাদ ও ১ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। ঘটনায় অন্যতম মনোনয়ন গ্রহীতা পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুরের পুরাইকাটি গ্রামের শেখ আব্দুল ওহাবের ছেলে শেখ মাসুদুর রহমান প্রত্যাহারের বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের আশ্রয় নেন। এব্যাপারে তিনি খুলনা সহকারী জজ আদালতে রিটার্নিং অফিসার ও প্রধান নির্বাচন কমিশন খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পবিস ম: ও ব্য:প: (কে:অ:) উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মো: মশিউর রহমান দিংদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। যার নং ৬৫৩/২২।

মামলায় গত ২ নভেম্বর আদালত বিবাদী পক্ষকে ৩ দিনের সময় দিয়ে কারণদর্শাও নোটিশ প্রদান করেন। এরপর ৬ নভেম্বর বিবাদীপক্ষ আদালতে উপস্থিত থেকে শুনানীতে অংশগ্রহন করেন। উভয় পক্ষের শুনানী শেষে এদিন আদালত মামলায় ১ ও ২ নং বিবাদীর আপত্তি দাখিলপূর্বক নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত দো তরফা শুনানী না হওয়া পর্যন্ত নালিশী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এলাকা পরিচালক পদের আগামী ৭/১১/২২ ইং তারিখের নির্বাচন স্থগিত করার নির্দেশ প্রদান করেন।

পরদিন ৭ নভেম্বর আদালত থেকে আইনানুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষ বটিয়াঘাটায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড’র সহকারী পরিচালক ও নির্বাচন কমিশনের সদস্য নিয়ামতউল্লাহ সরকারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার কপি সরবরাহে পবিস খুলনার বটিয়াঘাটার ঠিকরাবন্দ কার্যালয়ে গেলে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কপি গ্রহন করেনি।

এসময় কার্যালয়ে উপস্থিততিরা প্রথমত নানা টালবাহানা ও পরে দুপুর আড়াইটার দিকে তারা জানান, উর্দ্ধতন স্যারের নির্দেশনা না পেলে তারা কপি গ্রহন করবেননা। এসময় মামলার বাদী শেখ মাসুদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এব্যাপারে মামলার বাদী শেখ মাসুদুর রহমানের ব্যবহৃত ০১৭১৬-১৫০৮৮৮ নং মোবাইলে জানতে চাইলে তিনি মামলার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, আদালতের নিষেধাজ্ঞা স্বত্ত্বেও পবিস কর্তৃপক্ষ এক অদৃশ্য ইশারায় পাইকগাছা এলাকা পরিচালক পদের নির্বাচন সম্পন্ন করেছে। যেখানে ভোটার বা গ্রাহকরাও প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, ৭০ হাজার ৮১৮ জন ভোটারের মধ্যে মাত্র ৪৪৮ জন ভোটার উপস্থিত হয়েছেন। যা কোন গণতান্ত্রিক দেশের নির্বাচন বিধির পরিপন্থী।

ভোট প্রসঙ্গে উপজেলার কাশিমনগর গ্রামের ভোটার ও গ্রাহক শেখ জাহাঙ্গীর আলম, জি,এম হাসান ইমামসহ অন্যান্যরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জানান, ভোটের স্থগিতাদেশের খবরে তারাও ভোট দিতে যাননি। প্রয়োজনে তারা সংঘবদ্ধভাবে সকলকে সাথে নিয়ে আন্দোলনে যাবেন বলেও জানান।

প্রসঙ্গত, গত ২০১২ সালের নির্বাচনেও অনুরুপ ঘটনার প্রেক্ষিতে গাজী আব্দুস সালাম নামের একজন প্রার্থী আদালতের আশ্রয় নেন। যার মামলা নং ছিল-দে:২৯৩/১২। ঐ মামলায় নির্বাচনের উপর স্থগিতাদেশ দিলে বন্ধ হয়ে যায় সেবারের নির্বাচন। এরপর দীর্ঘ ৭ বছর পর বৃহৎ সংখ্যক গ্রাহকের কথা বিবেচনায় নিয়ে মামলার বাদী পক্ষ মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর