1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বেনাপোল কাস্টমসের জব্দ কোটি টাকার পণ্য গায়েব, কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের নামে মামলা অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর স্মরণে মিশিগানে দোয়া মাহফিল অর্থের অভাবে মাকে মাঠে এনে খেলা দেখাতে পারিনি : কেপ ভার্দের নায়ক ভোজিনিয়া পাইকগাছায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সৈয়দপুরে ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের উদ্বোধন সুন্দরবনের অজগার সাপ লোকালয়ে উদ্ধারের পর গহীনে বনেই অবমুক্ত কয়রায় জামায়াত কর্মীকে ‘এমপির এপিএস’ বলে অপপ্রচার, এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ সৈয়দপুরে ক্লাশ চলাকালে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় ভবন পরিত্যক্ত ঘোষনা, সীলগালা কয়রায় ইউপি সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ে প্রশিক্ষন শার্শা উপজেলা কিশোর-কিশোরী ক্লাব ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা

ঋতুপর্ণার আশা তার মৃত্যুর আগে অরাজকতা কমবে

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৩ বার পঠিত
rituparna-sengupta-10289

দীপ্ত নিউজ২৪.কম, বিনোদন ডেস্ক ::


ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। তিনি মরণোত্তর দেহদান করেছিলেন, এদিকে আরজি কর কাণ্ডের পর মর্গে মৃতদেহ ঘিরে বিভিন্ন দুর্নীতির কথা গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।

মৃতদেহ নিয়ে কোনও অ্যাডাল্ট ফিল্ম শুট করা হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। সম্প্রতি এসব বিষয়ে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

বিভিন্ন দুর্নীতির খবর প্রকাশের পরে মরণোত্তর দেহদান করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘মরণোত্তর দেহদান করা নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে ভোগেন। তবে আমার মধ্যে এমন কোনও বিভ্রান্তি ছিল না। পরিবারের মানুষদের দেখেই উদ্বুদ্ধ হয়েছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আরও কিছুটা সময় আছে। আমার মৃত্যুর আগে অরাজকতা কমবে, সেটুকু আশা রাখি। মরণোত্তর দেহদানের পদক্ষেপটা অন্তর থেকে নিয়েছিলাম। কারণ কারও উপকারে আসতে পারলে ভালো লাগে মৃত্যুর পরও এই পদক্ষেপের জন্য যদি সমাজের উপকার হয়, আমার ভালো লাগবে।’

এই কথার ফাঁকেই নায়িকা জানান, যাবতীয় দুর্নীতি দূর হোক, সেটা তিনি চান। নির্যাতিতার ধর্ষকের শাস্তির জন্যও অপেক্ষা করছেন।

উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট ভোরের দিকে কলকাতার শ্যামবাজার এলাকায় অবস্থিত আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের বিশ্রামকক্ষ থেকে এক নারী চিকিৎসকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার হয়। পরে ময়নাতদন্তে জানা যায়, ওই চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিল।

তবে মরদেহ উদ্ধারের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছিল যে ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন। কর্তৃপক্ষের এই বক্তব্যের পর প্রথমে ফুঁসে ওঠে কলকাতা, পরে গর্জে ওঠে পুরো পশ্চিমবঙ্গ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর