- নিজস্ব প্রতিবেদক ::
কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের ৩নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য মোঃ হাসানুর রহমান মোড়লের বিরুদ্ধে সুন্দরবনের বনদস্যুদের সাথে সখ্যতা সহ তাদেরকে সহযোগিতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একটি বাহিনীর সদস্যদের জিনিষপত্র কিনে দেওয়ার কথা বলে ৮ লক্ষ টাকা নিয়ে কিছু জিনিষ কিনে দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাৎতের অভিযোগ উঠছে তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় ঐ বাহিনীর কাছ থেকে দ্বিতীয় দফায় আবারও ৫ লক্ষ টাকা নেন তিনি। পরে কোন জিনিস কিনে না দিলে ঐ বাহিনীর সদস্যর টাকা ফেরত চাইলে টাকা না দিয়ে তিনি বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকেন। আর ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাহিনী প্রধানের শশুরকে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার খিরোল গ্রামের মইজুদ্দীন মোড়লের পুত্র মোঃ হাসান মোড়ল আমাদী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য। তিনি সুন্দরবনের বনদস্যু দুলাভাই বাহিনীর সদস্যদের নিকট হতে জিনিষপত্র কিনে দেওয়ার নামে ৮ লক্ষ টাকা গ্রহন করেন। ঐ টাকা দিয়ে অল্প কিছু টাকা জিনিস কিনে দিয়ে আবারও ৫ লক্ষ টাকা নেন। দির্ঘদিন ধরে সম্পুর্ন টাকার জিনিষপত্র কিনে না দেওয়ায় ঐ বাহিনীর প্রধান আফজাল মোবাইল ফোনে তার কাছে টাকা ফেরত চাই। তিনি না দিয়ে বিভিন্নভাবে তালবাহনা করতে থাকে। এক পর্যায় টাকার বিষয় চাপ দেওয়ায় তার এলাকায় আফজালের শশুর বসবাস করায় তাকে সহ তার পরিবারের সদস্যদে হুমকি ধামকি দিচ্ছে।
এমনকি হামলা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। সুন্দররবনের দুলাভাই বাহিনীর সদস্য আফজালের সাথে তার শশুরের কোন সম্পর্ক নেই। তার পরেও তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
অভিযোগ আরও জানা যায় হাসান মেম্বার সুন্দরবনেন বিভিন্ন বনদস্যু বাহিনীর সাথে সম্পর্ক রয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানানো হয়েছে।
অভিযোগের ব্যাপারে ইউপি সদস্য মোঃ হাসান মোড়লের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।