1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
পাইকগাছায় পাউবো কর্মকর্তার নির্দেশে কলোনির লেকের মাছ লুট! আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ শ্যামনগরে মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু সৈয়দপুরে লায়ন্স জেলা ৩১৫ এ ২-এর নিরাপদ পানীয় জল প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনিতে পাউবো’র বেড়িবাঁধের ৪০ পয়েন্টে ভাঙন সৈয়দপুর – কিশোরগঞ্জের উন্নয়নে সবধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে- বিলকিস ইসলাম এমপি সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ ধরার অপরাধে ২ জেলে আটক নতুন ভবন তালাবদ্ধ , ডুমুরিয়ায় স: প্রা: বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান ২৫ বছর পর নয়নের খালে প্রাণ, পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের উদ্বোধন  তালায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, হামলা গৃহবধু ও তার ১৪ মাস বয়সী শিশু কন্যা আহত

খুলনায় বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নগদের উপর বিকাশের হামলার অভিযোগে মামলা!

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১৪৫ বার পঠিত

ডিজিটাল বাংলাদেশে জনপ্রিয় ও সহজলভ্য হয়ে উঠেছে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস)। এক্ষেত্রে বাজার নিজেদের দখলে রাখতে রীতিমত ডাক বিভাগের নগদের ওপর নিয়মিতভাবে হামলা সংঘটিতর অভিযোগ উঠেছে বিকাশের বিরুদ্ধে। নগদের অভিযোগ এমন হীন কাজে ঢাকা থেকে করসাজির মূল হোতা বিকাশের হেড অব সেলস ইরফানুল হক।

নগদের অভিযোগ, ইতোমধ্যেই খুলনাতে বিকাশের হেড অব সেলস ইরফানুল হকের নির্দেশে নগদের দোকান, ব্যানার, প্যানা ভাঙচুর এবং অর্থ লোপাটের মতো ঘটনা ঘটেছে। এ সংক্রান্ত গত ১৩ এপ্রিল খুলনা থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ১৮।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ১৬০ নং হোল্ডিংয়ের শেরে বাংলা রোডস্থ আনসারী ভবনের তিন তলায় নগদের ডিস্ট্রিবিউটর অফিসের ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত আছেন মামলার বাদী খলিলুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, ১২ এপ্রিল খুলনা থানাধীন সাতরাস্থা মোডের মদিনা বেকারির সামনে বিভিন্ন দোকানে নগদের প্যানা, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলতে শুরু করে মামলার ১ নং আসামি সুমন, যিনি নিজে খুলনা জেলা বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটর। এছাড়া তার সাথে বিকাশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী আসামিরা মহসিন, তনু, মিল্টন, জিএম আজিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান জুয়েল, মো. মুর্শিদুজ্জামানসহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন বিকাশ হেড অফিসের হেড অব সেলস ইরফানুল হক এবং মোর্শেদুজ্জামানের নির্দেশে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়। এসময় নগদের কর্মচারী রাব্বি হোসেন ও মেহবার হোসেনকে মারধরও করা হয়। তারা খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাও গ্রহণ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, বিকাশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ খুব আন্তরিকভাবে মামলাটি তদন্ত করে দোষীদের গ্রেপ্তারে সচেষ্ট রয়েছে।

উল্লেখ্য, সারাদেশে বিকাশ ও নগদের মধ্যে ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে নানা সময় এ ধরনের অভিযোগ একে অপরের বিরুদ্ধে বেশ  আগে থেকেই করে আসছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্র আরও জানিয়েছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ব্যবহার করে বিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল হুন্ডি কারবার করা ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্তে সিআইডি জানতে পারে, এক বছরে ৭৫ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ ৭.৮ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে হুন্ডি ব্যবসায়ীরা। গ্রেপ্তার হওয়া অধিংকাশই বিকাশের এজেন্ট।

গ্রেপ্তাররা হলেন- আক্তার হোসেন (হুন্ডি এজেন্ট), দিদারুল আলম সুমন (হুন্ডি এজেন্ট), খোরশেদ আলম ইমন (হুন্ডি এজেন্টের সহযোগী), রুমন কান্তি দাস জয় (বিকাশ এজেন্ট), রাশেদ মাঞ্জুর ফিরোজ (বিকাশ এজেন্ট), মো. হোসাইনুল কবির (বিকাশ ডিএসএস), নবীন উল্লাহ (বিকাশ ডিএসএস), মো. জুনাইদুল হক (বিকাশ ডিএসএস), আদিবুর রহমান (বিকাশ ডিএসও), আসিফ নেওয়াজ (বিকাশ ডিএসও), ফরহাদ হোসাইন ( বিকাশ ডিএসও), আবদুল বাছির (বিকাশ এজেন্ট), মাহাবুবুর রহমান সেলিম (বিকাশ এজেন্ট), আবদুল আউয়াল সোহাগ (বিকাশ এজেন্ট), ফজলে রাব্বি (বিকাশ এজেন্ট)। এসব অর্থপাচারকারীদের সাথেও বিকাশের হেড অব সেলস ইরফানুল হকের যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি করেছে নির্ভরযোগ্য সূত্র।

এ বিষয়ে বিকাশের হেড অব সেলস ইরফানুল হককে ফোন করলেও তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। (তথ্য সূত্র: পূর্ব পশ্চিম বিডি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর