1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
৫৪ বছরেও বদলায়নি পাইকগাছার কড়ুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান কার্যক্রম মুন্সিগঞ্জের শিলইয়ে ৬ মাসে ১৫ দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক! কয়রায় বিনামূল্যে চক্ষুপরীক্ষা ও সানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর ভয়াবহতা, নিত্য হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে রেকর্ড সংখ্যক রোগী মিরকাদিমে ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়ে হেরোইন কিনতে গিয়ে জনতার হাতে ১ ব্যক্তি আটক ৪ ইউনিয়নবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে সচল ডুমুরিয়ার কেওড়া স্লুইস গেট কপিলমুনিতে কবরস্থান,ডাঙ্গা ও দোকান শ্রেণির সম্পত্তির সীমাণা নিয়ে বিভ্রান্তি: ডাঙ্গায় জমি কিনে কবরস্থানের অভিযোগে নির্মাণকাজ বন্ধ! মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে কপিলমুনিতে ৩ সহোদরসহ উভয়পক্ষের আহত ৪ টংগিবাড়ীতে ২৪ পিস গোলাপি ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সৈয়দপুরের আর্মি ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার ও বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে নবীনবরণ

ঘূর্ণিঝড় মোখার কক্সবাজার-মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম শুরু

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৪ মে, ২০২৩
  • ১১৫ বার পঠিত

প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা বাংলাদেশের কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করেছে। রোববার (১৪ মে) সকাল ৯টার দিকে উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে মোখা। সকাল পৌনে ৯টার দিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ সকাল ৬টার দিকে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্বে অবস্থান করছিলো।

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। ঝড়টি আরো উত্তর-উত্তর পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ বিকেল বা সন্ধ্যা নাগাদ সিটুয়ের (মিয়ানমার) নিকট দিয়ে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার নদী বন্দরগুলোকে ৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম এবং এগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮-১২ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উপকূলীয় জেলা ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা এবং জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-৭ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।

এদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর