1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানালেন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা ইরানি জাহাজে আছে ডায়ালাইসিস আর চিকিৎসার সরঞ্জাম গাজায় ইসরায়েলের হামলায় তিন ফিলিস্তিনি নিহত তরমুজ বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় পাইকগাছার ২ জন নিহত পাইকগাছায় এতিমখানার শিশুদের মাঝে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার বিতরণ সৈয়দপুরে প্রসূতি মায়ের মাঝে পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সৈয়দপুরে বাউস্ট পরিদর্শন করলেন রংপুর সেনানিবাসের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার তালায় অ্যাম্বুলেন্স ইস্যু: আরএমও ডা. খালিদকে ঘিরে অপ-প্রচার স্বাস্থ্য খাতে অনিয়মের অভিযোগে মুন্সীগঞ্জে ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি

নির্বাচনী ইশতেহারে উপকূলের প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় সুনির্দ্দিষ্ট অঙ্গীকারের দাবি

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৮ বার পঠিত
paikgacha-upokul-15389
  • নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নির্বাচনী ইশতেহারে উপকূলের প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় সুনির্দ্দিষ্ট অঙ্গীকার তুলে ধরতে দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।

তারা বলেছেন, পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে উপকূলে সৃষ্ট ভয়াবহ সংকটের কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। এই সংকট মোকাবেলায় রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

১১ জানুয়ারি রবিবার রাজধানীর ডাব্লিউভিএ মিলনায়তনে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সভা থেকে এই দাবি জানানো হয়।

বাপা সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। সভায় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্কের (বেন) প্রতিষ্ঠাতা ড. নজরুল ইসলাম, বেন-এর বৈশ্বিক সমন্বয়কারি ড. মো. খালেকুজ্জামান, বাপার সহ-সভাপতি মহিদুল হক খান ও অধ্যাপক এম. শহীদুল ইসলাম, বাপা’র সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, বাপার যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার প্রমুখ।

সভার প্রস্তাবে উপকূলের সংকট মোকাবেলায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সকল রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য ১১দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হচ্ছে- উপকূলীয় অঞ্চলকে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ বিশেষ এলাকা ঘোষণা করতে হবে। উপকূলের প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখতে হবে। লোনা পানি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ খাবার পানি ব্যবস্থা করতে হবে। দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে উপকূলের প্রতিটি বাড়িকে শেল্টার হোম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উপকূলের প্রকল্প গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ভূক্তভোগী জনগণের প্রতিনিধিত্ব রাখতে হবে। উপকূলের রক্ষাকবচ বিশ্বঐতিহ্য সুন্দরবন সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নদ-নদী ও জলাশয় দখল ও দুষণমুক্ত করতে হবে। বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে উপকূলে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলতে হবে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও পুরানো বাঁধ মেরামত করতে হবে। কৃষির উন্নয়ন ও বিকল্প কর্মসংস্থানে পদক্ষেপ নিতে হবে। উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে হবে।

প্রস্তাবে বলা হয়, বৈশ্বিক উষ্ণতায় দায় মাত্র শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ হলেও দুর্যোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যমত বাংলাদেশ। সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ দেশের উপকূলীয় অঞ্চল। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০ বছরে উপকূলে দুর্যোগ ১০গুণ বেড়েছে। দুর্যোগে মানুষের জীবন-জীবিকা, সম্পদ, খাদ্য, পানি, বাসস্থানসহ অন্যান্য সংকট সৃষ্টি করছে। সমগ্র উপকূলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট চলছে। অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষ ও লবণাক্ততার আগ্রাসনে সুন্দরবন এলাকায় সুপেয় পানির সংকট বেড়েছে। সুন্দরবন উপকূলে ৭৩শতাংশ পরিবার সুপেয় পানি থেকে বঞ্চিত বা অনিরাপদ পানি খেতে বাধ্য হচ্ছে। টেকসই বেড়িবাঁধের অভাবে প্রতিবছর স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। নদ-নদী ও জলাশয় দখল-দুষণ ও ভরাটের কারণে পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর