1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
দাবদাহের কবলে দক্ষিনাঞ্চল, জনজীবন ও কৃষিতে বড় সংকট ডুমুরিয়ায় ডুমুরিয়ায় বিলুপ্তির পথে কদম গাছ, উঁকি দিচ্ছে থোকায় থোকায় বাহারি ফুল যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে চুকনগরে নিসচার মানববন্ধন কপিলমুনিতে মাদকাসক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কুপিয়ে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগ গজারিয়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু মুন্সীগঞ্জের টংগীবাড়ীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্থ পাইকগাছা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ক্যারিয়ার সেমিনার পাইকগাছায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ‘হিট অ্যাকশন ডে’ কর্মসূচির উদ্বোধন ঈদ আনন্দে মণিরামপুরের খালিয়া গ্রামের মাঠে গ্রামীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মাতোয়ারা নারী-পুরুষ কয়রায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে মৎস্য ঘের লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, গৃহশিক্ষকসহ আটক ২

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১০৯ বার পঠিত

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় তাসমিয়া হোসেন অদিতি (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হাতের রগ কেটে ও জবাই করে হত্যার ঘটনায় গৃহশিক্ষক আবদুর রহিম রনি (২৫) ও তার সহযোগী মো: সাঈদ (২০) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। রহিম নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার খলিল মিয়ার ছেলে ও মো: সাঈদ (২০) একই এলাকার অজি উল্যার ছেলে।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পুরো ঘর ওলট-পালট করা হয়েছে। তিনি বলেন, টিউশনি থেকে বাদ দেওয়ায় ক্ষোভে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর খুন করেন গৃহশিক্ষক আবদুর রহিম রনি (২৫)। রনি বিবাহিত এবং একটি কোচিং সেন্টারের মালিক। তিনি এক বছর ধরে ওই ছাত্রীকে পড়াতেন। তিন মাস আগে তাকে টিউশনি থেকে বাদ দেওয়া হলেও পূর্বের পরিচিত হওয়ায় রনি মাঝেমধ্যে বাসায় আসতেন।

জানাযায়, বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে উপজেলার নোয়াখালী পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণপুর এলাকায় ওই শিক্ষার্থীর নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।এসময় ঘরের বিভিন্ন মালামাল তছনছ করেছে অপরাধীরা।

নিহত ওই স্কুল ছাত্রী স্থানীয় নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলো এবং নোয়াখালী পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণপুর মহল্লার মৃত রিয়াজ হোসেনের মেয়ে। তার মা স্থানীয় একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

নোয়াখালীল পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমরা দুই বোন। নিহত অদিতির বড় বোন প্রতিবন্ধী এবং ভিকটিম ছোট বোন। নিহতের মা রাজিয়া সুলতানা উপজেলার জয়নাল আবেদীন মেমোরিয়াল একাডেমির শিক্ষিকা। ভিকটিমের মা সকাল ৭টার দিকে প্রতিদিনের ন্যায় স্কুলে চলে যায় এবং সন্ধ্যা অনুমান ৭টার দিকে বাসায় এসে দেখে বাহির থেকে দরজায় তালা লাগানো। পার্শ্ববর্তী ভাড়াটিয়াগণও প্রতিদিনের ন্যায় দরজা বন্ধ থাকায় তারাও কিছু অনুমান করতে পারেনি। পরবর্তীতে ভিকটিমের মা দরাজা খুলে ভিকটিমের রুম বন্ধ পাওয়ায় ভিকটিমকে খোঁজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে ভিকটিমের মা বাসার পেছনের দিকে জানালা দিয়ে দেখে তার মেয়ে গলাকাটা রক্তাক্ত ও উলঙ্গ অবস্থায় অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে।

তিনি আরো জানান, পরবর্তীতে দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে ভিকটিমের মা তার মেয়েকে রক্তাক্ত নিথর দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, প্রতিবেশী নয়নের ছেলে মো. সাঈদ (২০) প্রায় সময় তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতো। অনেক সময় হুমকিও দিয়েছিলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর