বিজ্ঞপ্তি ::
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল হক স্বাধীনতা দিবসের ৫৪ বছর পূর্তিতে নিহত মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত ও জীবিতদের দীঘায়ু কামনা করেছেন।
গতানুগনিক ভাবে ফুল দিয়ে সম্মান দেয়ার সাথে সাথে যে বাংলাদেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধ করা হয়েছিল সে রকম দুনীর্তিমুক্ত, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা , ক্ষমতার অপব্যবহার, গণতন্ত্র, নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা ও আইনের শাসনের মাধমে বাংলাদেশ পরিচালিত করতে হবে তখনই মুক্তিযুদ্ধাদের সত্যিকারের সম্মান দেয়া হবে।
পার্টির সভাপতি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে । স্বাধীন বাংলাদেশের উন্নয়ন করতে হলে সবাইকে দায়িত্বশীল ,সহনশীল ,সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের প্রাধান্য দিতে হবে।
সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের বাংলাদেশে দেশের নাগরিকরা যাতে রাষ্ট্রিয় দিবস গুলোকে সবাই অংশগ্রহন করে সেদিকে লক্ষ্য রেখে রাষ্ট্রিয়ভাবে দোয়া করার নিয়ম চালু করতে হবে।
এবারের স্বাধীনতা দিবসে সংস্কার ওনির্বাচন নিয়ে মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। বিগত সরকারগুলো যেসকল কাযক্রমের কারণে নিন্দিত বা পতন ঘটানো হয়েছে সে কাজের যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখতে
হবে। সরকার যাতে শতভাগ আইনের বা বিধিমোতাবেক মাধ্যমে পরিচালনা করা যায় কোন দূনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার না করা হয় সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
নাহলে দূনীতির অভিযোগে সরকার পরিবর্তন হবে কিন্তু দেশ দূনীতিমুক্ত , ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ হবে না। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের মৃত্যেুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সুচনা হলেও আইনের শাসন বা আইন সবার জন্য সমান করা যায়নি বরং যার হাতে অর্থ বা সরকারী ক্ষমতা তাকে বিচারের মুখোমুখী করা কঠিন । ২০২৪ সালে কয়েক হাজার মানুষের আত্মত্যাগ হলেও অর্থের বা সরকারী ক্ষমতার অপব্যবহার করার কোন পরিবর্তন করা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সকল শাখাকে স্বাধীনতা দিবসের ৫৪ বছর পূর্তিতে মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিলের মাধ্যমে উদযাপন করার জন্য নেতাকর্মীদের নির্দেশনা প্রদান করেন।