1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা কয়রায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপন গজারিয়ায় মাথাভাঙ্গা খালের কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন এমপি কামরুজ্জামান রতন পাইকগাছায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে আরএফএল কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার শালিসকারীকে হাতুড়িপেটায় হত্যাচেষ্টা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার কয়রায় ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে মত বিনিময় সভা সৈয়দপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে সহায়তার চেক বিতরণ কয়রায় সুশীলনের প্রকল্প অবহিতকরন সভা  সাতক্ষীরায় মাছের ঘের থেকে যুবকের  বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিততে হলে যে ২ অভিশাপ কাটাতেই হবে

দীর্ঘ ১৬ বছর কলেজে অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলেছেন ডুমুরিয়ার আলোচিত ধর্মগুরু নারায়ণ গোসাই

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৬০৭ বার পঠিত
dumuriya-13105
নারায়ন চন্দ্র রায়
খুলনা ব্যুরো:


‘ধর্মগুরু’র প্রভাবে বছরের-পর-বছর কলেজে অনুপস্থিত থেকেও খুলনার ডুমুরিয়ার পল্লীশ্রী মহাবিদ্যালয়’র কর্মচারি নারায়ণ চন্দ্র রায় সরকারি বেতন উত্তোলন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ১৯৯৭ সালে কলেজটি এমপিও ভুক্ত হওয়ার পর থেকেই উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের জিয়েলতলা গ্রামের নারায়ণ চন্দ্র রায়, কে-৪২১২২৯ ইনডেক্সধারী ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারি হিসাবে সরকারি বেতন-ভাতা তুলছে। ২০০২ সালে সাবেক অধ্যক্ষ অপূর্ব বৈদ্য’র সময়ে নারায়ণ রায় ওরফে নারায়ণ গোষ্মামী ওরফে নারায়ণ গোসাই সপ্তাহে ২-৩ দিন হাজিরা দিতো। কিন্তু ২০১০ সালে অধ্যক্ষ অপূর্ব বৈদ্য-কে জোরপূর্বক সরিয়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার, অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নারায়ণ গোসাই কলেজে হাজির হওয়া প্রায় বন্ধই করে দেয়। তবে মাসের শেষে ১ দিন যেয়ে সারা-মাসের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বেতন নিতে থাকে। বিগত ১৬ বছর ধরে এভাবেই সব ঠিক-ঠাক চলছিলো। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতে চলতি বছর কিছু শিক্ষক-অভিভাবকের প্রতিরোধের প্রেক্ষিতে গত জুলাই ও আগষ্ট-’২৫ মাসে গোসাই আর হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে পারেনি। কিন্তু তাতে কি ? সরকারি বেতন তুলতে কোনো অসুবিধাই হয়নি। এই বিষয়টির সঙ্গে অধ্যক্ষ সুভাষ সরদারের ক্ষমতার দাপট’র বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক’র কাছে এলাকাবাসী, অভিভাবক ও শিক্ষ-কর্মচারীর পক্ষে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জিয়েলতলা গ্রামের পরিতোষ মন্ডল তার ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে গত ১৭ জুলাই ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে নারায়ণ গোসাই’র নামে ডুমুরিয়া থানায় মামলা করলে পুলিশ গত ২৭ আগষ্ট তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।
এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পল্লীশ্রী মহাবিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, সরকারি সকল নিয়ম-আদেশ উপেক্ষা করে ২০১০ সালে গায়ের জোরে সুভাষ বাবু অধ্যক্ষের চেয়ার দখল করার পর থেকে নারায়ণ গোসাই স্বরাজ-স্বাধীন হয়ে গেছে।
কলেজ কমিটির অভিবাবক প্রতিনিধি হামিদুর রহমান বলেন, নারায়ণ গোসাই তো কলেজে না এসেই বেতন নেয়। তাছাড়া সবার ওপরে একটা খবরদারী চালায়, ভাব দেখায়, সেই প্রিন্সিপাল।
অধ্যক্ষ সুভাষ সরদার বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর নারায়ণ গোসাই ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতাদের প্রশ্রয়ে এমন একটা পরিবেশ তৈরি করে, যে-কারণে তাকে হাজির হতে চাপ দেওয়া খুব সমস্যা বুঝে একজন বিকল্প মানুষ দিতে বলি। তখন অমৃত বিশ্বাস নামের একজনকে ডেপুটেশনে দেয়। আর স্বাক্ষর না করলেও জুলাই-আগষ্ট মাসের বেতন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ই.এফ.টি) সিস্টেমের কারণে তার একাউন্টে টাকা ঢুকে গেছে। তবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ওই টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকে ফেরত দেবো।
গভর্ণিং কমিটি সভাপতি মাওলানা মোক্তার হোসেন বলেন আমি খুব-দ্রুতই মিটিং ডেকে গোসাইর বিরুদ্ধে রেজুলেশন করতে প্রিন্সিপালকে বলেছি।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা’র উপ-পরিচালক ড. সাজ্জাত হোসেন বলেন, এ বিষয়টিতে গভণিং বডিই ব্যবস্থা নিতে পারে। তারা রেজুলেশন করে আমার কাছে পাঠালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর