1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ডুমুরিয়ায় ঘ্যাংরাইল নদী শেষ ভাটিতে নদীর করুন অবস্থা, টিআরএম’র বিকল্প নেই কয়রায় নববধূ মিতুসহ তিনজনের দাফন সম্পন্ন উপকূলীয় পাইকগাছায় বার্লি চাষে নতুন সম্ভাবনা, শুরুতেই কপিলমুনির মনিরুলের চমক রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ: মঈনুল ইসলামের সভাপতির দায়িত্বে শিক্ষাবান্ধব নানা উদ্যোগে মুগ্ধ এলাকাবাসী পাইকগাছায় নদী থেকে পোনা আহরণ: অবৈধ জাল জব্দ, পোনা অবমুক্ত মুন্সীগঞ্জে স্টেনোটাইপিস্ট মিজানুর রহমানের ঘুষ কান্ডে শোকজ যুদ্ধ গড়াল ১৪তম দিনে, সব শেষ কিছু আপডেট ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত : ঘরে-বাইরে চাপে ট্রাম্প ১ লাখ পাউন্ডে ১০০ বলের ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশি মুস্তাফিজ যারা ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে উপহাস করেছিল তাদের মুখে ছাই পড়েছে-সৈয়দপুরে ত্রান মন্ত্রী

কয়রায় নববধূ মিতুসহ তিনজনের দাফন সম্পন্ন

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৫ বার পঠিত
khulna-16054
  • খুলনা ব্যুরো/ কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি ::

বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নববধূ মারজিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া ও দাদি রাশিদা বেগমের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনার কয়রার নাকশা গ্রামে বাড়ির পাশে মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।

স্থানীয়রা জানায়, সালামের মা রাশিদা বেগম, মেয়ে নববধূ মিতু ও ছোট মেয়ে লামিয়ার মরদেহ গ্রামের বাড়ি নাকশায় আনার পর আজ সকালে তাদের জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কনে মিতুর নানির মরদেহ তাদের গ্রামে দাফনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ রকম মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এই প্রথম। উৎসবের আনন্দ থাকার পরিবর্তে সেখানে শোকে স্তব্ধ মানুষ। আব্দুস সালাম ভাই মাঝে মাঝে মূর্ছা যাচ্ছেন। মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। তাদের জন্য মানুষ দোয়া করছেন। দুই পরিবারের যারা মারা গেছেন তাদেরকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মোকাম দান করুক-আমিন।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকসা গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সালাম মোড়লের মেয়ে মার্জিয়া আক্তারের (মিতু) সঙ্গে বিয়ে হয় মোংলা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে আহাদুর রহমানের (সাব্বির)। বিয়ের পর বর-কনেসহ দুই পরিবারের সদস্যরা মাইক্রোবাসে ফিরছিলেন। এরপর মাইক্রোবাসটি রামপাল উপজেলার বেলাইবিজ এলাকায় পৌছালে বিপরীত দিক দিয়ে আসা বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ১৪ জন নিহত হন। মাইক্রোবাসে ছিল কয়রার নাকশা গ্রামের মার্জিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম। আর বাকি বরের পরিবারের ৯ জনের মরদেহ মোংলায় নেওয়া হয়। সেখানেও তাদের দাফনের অপেক্ষায় রয়েছে মানুষ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর