1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
৫৪ বছরেও বদলায়নি পাইকগাছার কড়ুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান কার্যক্রম মুন্সিগঞ্জের শিলইয়ে ৬ মাসে ১৫ দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক! কয়রায় বিনামূল্যে চক্ষুপরীক্ষা ও সানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ডেঙ্গুর ভয়াবহতা, নিত্য হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে রেকর্ড সংখ্যক রোগী মিরকাদিমে ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়ে হেরোইন কিনতে গিয়ে জনতার হাতে ১ ব্যক্তি আটক ৪ ইউনিয়নবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে সচল ডুমুরিয়ার কেওড়া স্লুইস গেট কপিলমুনিতে কবরস্থান,ডাঙ্গা ও দোকান শ্রেণির সম্পত্তির সীমাণা নিয়ে বিভ্রান্তি: ডাঙ্গায় জমি কিনে কবরস্থানের অভিযোগে নির্মাণকাজ বন্ধ! মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে কপিলমুনিতে ৩ সহোদরসহ উভয়পক্ষের আহত ৪ টংগিবাড়ীতে ২৪ পিস গোলাপি ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সৈয়দপুরের আর্মি ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার ও বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে নবীনবরণ

৬ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩
  • ১১৯ বার পঠিত

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক:

অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে দেশের ৬ জেলায় জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান। শনিবার (১৩ মে) ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির বাস্তবায়ন বোর্ডের জরুরি সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুক্রবার সকালে মোখা অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। এখনো উত্তর ও উত্তর–পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটা যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে, আশঙ্কা করছি, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় আঘাত হানবে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, ভোলা বরগুনাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।’

জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেকনাফ ও কক্সবাজারের জন্য সুনির্দিষ্ট করে দুই থেকে তিন মিটার উচ্চতার (১ মিটার সমান ৩.২৮ ফুট) জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, বরগুনা ও ভোলার জন্য দুই মিটারের কম উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। তিন মিটারের বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হলে আশ্রয়কেন্দ্রের লোকজনের জন্য একটি আশঙ্কা থেকে যায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে এনামুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি রোববার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে আঘাত হানতে পারে। এখন পর্যন্ত যে দূরত্ব আছে, সকাল থেকেই উপকূল স্পর্শ করতে থাকবে।

এনামুর রহমান বলেন, ‘এটির অবস্থান, গতিপথ ও গতি বিবেচনা করে আমরা স্থির করেছি, কক্সবাজার বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেওয়ার জন্য। আর চট্টগ্রাম ও পায়রা বন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপৎসংকেত জারি রাখা হবে। মোংলায় ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত থাকবে।’

১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত কখন থেকে কার্যকর হবে, জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, শনিবার বেলা আড়াইটা থেকে এটি কার্যকর হবে। এখন সেন্ট মার্টিনের সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হলেও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের শতভাগ আনা সম্ভব হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হবে। এতে ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়নি। তবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড কাজ করছে। এখন বাতাসের যে গতিবেগ ১৫০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার, এটা বেড়ে হয়তো ১৮০ কিলোমিটার হতে পারে। এর বেশি হওয়ার শঙ্কা নেই। যে কারণে মোখাকে সুপার সাইক্লোন বা অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় বলা যাবে না।’

এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর