1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কয়রায় মাস ব্যাপী গণসংযোগ উপলক্ষে জামায়াতের দাওয়াতী সমাবেশ নারী-শিশুদের কল্যাণ ও অধিকার নিশ্চিতে কাজ করার প্রত্যয় এমপি বিলকিস ইসলাম’র  কয়রায় ৩৮ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক নেপালের বন্যা: সীমান্ত বিহীন জলবায়ু সংকট কপিলমুনিতে কবরস্থানের জায়গা দখল করে ইমারত নির্মাণ, প্রতিবাদে মানববন্ধন আজ শুভ জন্মাষ্টমী বাস চলাচলে বৈষম্য দুর করতে নীলফামারী মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের ৭ দিনের আল্টিমেটাম কয়রায় ৪রশতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে পানির ট্যাংকি বিতরণ কয়রায় সিএনআরএসের উপজেলা পর্যায়ে প্রকল্প শেয়ারিং কর্মশালা সৈয়দপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের সংবর্ধনা প্রদান

খামেনির প্রথম জানাজা আজ, কানায় কানায় পরিপূর্ণ চত্বর

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৬০ বার পঠিত
iran-16944

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও তার পরিবারের চার সদস্যের প্রথম জানাজা আজ অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত এ জানাজায় রেকর্ডসংখ্যক মানুষের সমাগমের আশা করা হচ্ছে। রোববার (৫ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার থেকে এ স্থানেই সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানাজার নামাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই মোসাল্লার প্রধান চত্বর কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। জানাজার পর সোমবার তেহরানে এবং মঙ্গলবার পবিত্র শহর কোমে শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর খামেনির মরদেহ আরও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ইরাকের নজফ ও কারবালা শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। পরে বৃহস্পতিবার দাফনের জন্য মরদেহ ইরানের মাশহাদ শহরে ফিরিয়ে আনা হবে।

  • আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি কে ছিলেন?

ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়ে দেশের প্রথম সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সাল থেকে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেন। পাহলভি রাজতন্ত্রের অবসান ঘটানো ইসলামী বিপ্লবের আদর্শিক নেতা ছিলেন খোমেনি। অন্যদিকে, সেই বিপ্লবের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামো গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন খামেনি।

খামেনির মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। তার শাসনামলের শুরুতেই এত বড় রাষ্ট্রীয় আয়োজন হতে যাচ্ছে। যদিও সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এখনো প্রকাশ্যে আসেননি।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শিয়া শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের প্রাক্কালে তিনি রাজতন্ত্রবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।

ইরাকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে তিনি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন।

খামেনি ইরানের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করেন। পাশাপাশি বহির্বিশ্বের হুমকি মোকাবিলায় একটি উন্নত প্রতিরক্ষা কৌশল প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর শাসনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ আসে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। সে সময় অর্থনৈতিক দুর্দশাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশব্যাপী অস্থিরতায় রূপ নেয়। পরে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হন।

সূত্র: আল জাজিরা

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর