1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কয়রায় হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা সাতক্ষীরার স্থায়ী-অস্থায়ী ২ হাজার ৪১৭টি কেন্দ্রে সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন কয়রার বেদকাশী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সৈয়দপুরে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ইরান ‘একটু বেশি চালাকি’ করেছে : ট্রাম্প হরমুজে ভারতীয় ট্যাংকারে গুলি, ইরানি রাষ্ট্রদূতকে দিল্লির তলব ট্রাম্প একটু বেশিই কথা বলেন : ইরান অকটেনের দাম বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে জমি দখলের চেষ্টা , থানায় অভিযোগ খুলনায় পারিবারিক কলহে মাথায় রাইফেল ঠেকিয়ে কনস্টেবলের আত্মহত্যা!

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে সৈয়দপুরে স্ট্রাইক কর্মসূচী পালিত

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬১ বার পঠিত
saedpur-tista-15338
  • সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি :

তিস্তা মহাপরিকল্পনার অফিশিয়াল সাইনিং ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম জানুয়ারি মাসের মধ্যে নিশ্চিত করার দাবিতে নীলফামারির সৈয়দপুরে স্ট্রাইক কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রুপান্তর সৈয়দপুর কমিটির উদ্যোগে শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কের শহীদ স্মৃতিসৌধের সামনে ওই কর্মসূচী পালন করা হয়। এটি ছিল “তিস্তার আর্তনাদ” নামে ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি।

এতে রুপান্তরের স্থানীয় সদস্যরা ‘তিস্তা বাঁচলে কৃষক বাঁচবে, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে’ স্লোগানের প্ল্যাকার্ড প্রদর্শণ করেন।

কর্মসূচীতে বক্তব্য বলেন রুপান্তরের সৈয়দপুর কমিটির ট্রেজারার মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, তিস্তা শুধু একটি নদী নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের জীবন ও জীবিকার ভরসা। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে কৃষক বাঁচবে, সেচ নিশ্চিত হবে এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হবে। দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য এই পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আয়াজকরা জানান, অন্তর্বতী সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষ ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে, তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। কিন্তু জানুয়ারি শুরু হলেও এখন পর্যন্ত অফিশিয়াল সাইনিং, বাস্তব কার্যক্রম শুরুর দৃশ্যমান অগ্রগতি এবং প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ নথিপত্র প্রকাশ করা হয়নি। এই দীর্ঘসূত্রিতা ও অনিশ্চয়তা উত্তরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সষ্টি করছে।

তাঁরা আরও বলেন, তিস্তা কেবল নদী নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের কৃষি, সেচ, ভাঙন, বন্যা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু। তিস্তা অববাহিকার মানুষ বছরের পর বছর ধরে পানি সংকট, নদীভাঙন ও জীবিকার ক্ষতির শিকার। অথচ বারবার তিস্তা ইস্যুকে জাতীয় অগ্রাধিকারের তালিকা থেকে পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

তাঁরা বলেন, রুপান্তর এবং আমাদের সঙ্গে আরও কিছু সংগঠন ‘তিস্তার আর্তনাদ’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আগামী ১২ জানুয়ারির মধ্যে সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা সংক্রান্ত কোন সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত না দিলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে দাবীপত্র প্রেরণ করা হবে। তাঁরা আরও বলেন, তিস্তা প্রশ্নে জনআস্থার সংকট তৈরি হলে তা ভবিষ্যতে বৃহত্তর সামাজিক প্রতিক্রিয়ায় রুপ নিতে পারে। তাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতির দাবি জানান তাঁরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর