1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
পাইকগাছার দলিল লেখকসহ সীমানা পিলার প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য সীমানা পিলারসহ তালায় গ্রেপ্তার পাইকগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত ডুমুরিয়ার চুকনগর চেস ক্লাব ৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড দাবা রেটিং টুর্ণামেন্ট উদ্বোধন সৈয়দপুরে বালু ও রং মিশ্রিত সাড়ে ৭ শত কেজি কীটনাশক উদ্ধার : ব্যবসায়ীর অর্থদণ্ড দাবদাহের কবলে দক্ষিনাঞ্চল, জনজীবন ও কৃষিতে বড় সংকট ডুমুরিয়ায় ডুমুরিয়ায় বিলুপ্তির পথে কদম গাছ, উঁকি দিচ্ছে থোকায় থোকায় বাহারি ফুল যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে চুকনগরে নিসচার মানববন্ধন কপিলমুনিতে মাদকাসক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কুপিয়ে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগ গজারিয়ায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু মুন্সীগঞ্জের টংগীবাড়ীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পদ্ধতিগত ও আইনি জটিলতার কারণে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়: অর্থমন্ত্রী

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৮১ বার পঠিত

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। বিভিন্ন পদ্ধতিগত ও আইনি জটিলতার কারণে অর্থ উদ্ধারে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার এবং অর্থ পাচার রোধে সরকার কাজ করছে জানিয়ে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারের আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশ থেকে অর্থ পাচারের মাত্রা বা পরিমাণ যাই হোক না কেন, পাচারের সম্ভাব্য উৎসগুলো বন্ধ করার পাশাপাশি অর্থ পাচার রোধ এবং পাচারকৃত অর্থ বাংলাদেশে ফেরত আনার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সরকারের সব বিভাগ একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ দুরূহ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা, গবেষণা সংস্থা বিভিন্ন ধরনের মেথডোলজি ব্যবহার করে পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে প্রাক্কলন করে। যার যথার্থতা ওইসব প্রতিষ্ঠানও দাবি করে না। এসব সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে বাংলাদেশ থেকে কী পরিমাণ অর্থ পাচার হয়, সে বিষয়ে পরস্পর বিরোধী তথ্য দেখা যায়। বস্তুত, অর্থ পাচারের পরিমাণ নির্ধারণ অত্যন্ত দুরূহ বিষয়।

ওয়ার্কার্স পার্টির বেগম লুৎফুন নেসা খানের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈদেশিক ঋণ জিডিপির শতকরা হার অনুযায়ী বাংলাদেশ ঝুঁকি সীমার অনেক নিচে অবস্থান করছে। দেশি ঋণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিমুক্ত ও সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে।

মুস্তফা কামাল বলেন, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বড় কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই। আইএমএফের প্রতিবেদনের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০৩২ সাল পর্যন্ত দেশিয় ঋণসহ বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ঝুঁকিমুক্ত।

বেগম লুৎফুন নেসা খানের প্রশ্নে ঋণ খেলাপিদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদে ঋণ খেলাপির দায়ে ২১৭ জনকে জেলে পাঠানো হয়েছে। ঋণ খেলাপির দায়ে ১২ জন কৃষককে জেলে নেওয়ার ঘটনাটি (পাবনায়) বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতাভুক্ত কোনো তফসিলি ব্যাংক নয়। আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ঋণ খেলাপির দায়ে জেলে পাঠানোর ঘটনার বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর