1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কপিলমুনিতে কন্যা ইসরাত জাহান মুন্নিকে পিতা মহাসিন খাঁন’র ত্যাজ্য ঘোষণা পাইকগাছায় ‘নজরুল বর্ষ’ পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা সাতক্ষীরা আদালতে শূন্য বিচারক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ঢাকায় অগ্নিদগ্ধে আহত শ্রমিকদেরমাঝে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর দেওয়া চেক বিতরন সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক (পশু পালন) আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতির দায়ে শাস্তি মূলক বদলি ডুমুরিয়ায় রঙিন মাছ ও সমন্বিত খামারে যুবক রাহুলের বাজিমাত: বছরে আয় ১৫-২০ লাখ টাকা কয়রায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা পাইকগাছায় অবৈধ দখলে থাকা ভিপি ও সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে তৎপর উপজেলা ভূমি প্রশাসন, রাজস্ব আদায় প্রায় দেড় কোটি টাকা “বাতিলের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যুব জমিয়তকে সঠিকভাবে টিকে থাকতে হবে”—মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী কয়রায় প্লাস্টিক-পলিথিন দূষণ রোধে শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা

সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক (পশু পালন) আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতির দায়ে শাস্তি মূলক বদলি

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০২ বার পঠিত
satkhira-17403

পূর্বের কর্মস্থালে এসে নিজের অপকর্ম ঢাকতে সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

  • সাতক্ষীরা প্রতিনিধি::

নিজের অপকর্ম ঢাকতে সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক (পশুপাল) মোঃ আসাদুজ্জামান যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোঃ মিজানুর রহমান,সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষ সরকারসহ একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই কর্মকর্তারা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে।

অভিযোগসূত্রে জানা যায়,গত ১৭ই আগস্ট যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কো -অর্ডিনেটর মোঃ মিজানুর রহমানের কক্ষে সভা চলাকালীন প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামান সিনিয়র প্রশিক্ষক দেবাশীষ সরকারকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, এ সময় অন্য কর্মকর্তারা প্রতিবাদ করলে আসাদুজ্জামান তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে উদ্যত হন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান এর বিরুদ্ধে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে সে আরো ও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপর থেকে আসাদুজ্জামান নিজের অপকর্ম ঢাকতে শুরু করে নানাবিধ ষড়যন্ত্র।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ২০২৫ সালে স্বাস্তিমূলক বদলি হয়েছিলেন এই আসাদুজ্জামান। পরবর্তীতে নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রত্যয়ন নিয়ে এবং বিভিন্ন জায়গায় তদবির করে আবারও ফিরে আসছেন সাতক্ষীরায় । যারা তার জন্য সুপারিশ করেছিলো তাদের কারণে এখন অনিয়ম,দুর্নীতি করতে পারছেন না বলে তাদের পিছনে লাগছেন তিনি। এর আগেও প্রভাব খাটিয়ে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হাত করে অন্যান্য কর্মচারীদের ভয় দেখিয়ে নিজের হাতে সব ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছেন এবং দুর্নীতি করেছেন। সে সময় তার বিরুদ্ধে ভয় দেখিয়ে অন্যদেরকে চুপ করিয়ে রাখা, মহিলা সহকারীদের নিয়ে কটুক্তি, অশ্লীল আচরণ, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা, ঠিকমতো অফিস না করা, স্বাক্ষর করে বের হয়ে যাওয়া, অফিসের কর্মকর্তাদের মারার জন্য বাইরের লোক ঠিক করা, অন্যের নামে বাসা বরাদ্দ নিয়ে থাকা, বিভিন্ন সময়ে বাসা ভাড়া না দেওয়া, বিভিন্ন ব্যাচ পরিচালনার সময় মিথ্যা ভাউচার দেখিয়ে টাকা উত্তোলন, যারা কখনো ক্লাস করে নাই তাদের নামে টাকা উত্তোলন, প্রশিক্ষণার্থীদের জামানত আত্মসাৎ করা, তাদের নামে সার্টিফিকেট ইস্যু করা এবং ভাতা উত্তোলন করা, প্রশিক্ষণপ্রার্থীদের নামে বিভিন্ন জিনিস কিনে তা অধিক দামে ভাউচার করার অভিযোগ আছে।এছাড়াও মেস এবং হোস্টেলের সব দায়িত্ব একা নিয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের হলে না থাকার জন্য উৎসাহিত করছেন এবং হলে ৭-৮ জন থাকতো, ক্লাসে উপস্থিতি ৬০ জনের মধ্যে ১০-১৫ জনের মত ছিল। কিন্তু তিনি ৬০ জনের ভাউচার করেছেন।

আরো জানা যায়, এই আসাদুজ্জামানের চাকরি রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ২০২২ সালে, কিন্তু তিনি প্রভাব খাটিয়ে ২০০৬ সাল থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করছেন।

এখান থেকে বদলি হয়ে নড়াইলে গেলেও সে এখান থেকে এলপিসি নেন নাই। ঘুষ দিয়ে পুনরায় এখানে এসে একই ভাবে এখান থেকে বেতন ভাতা উঠাচ্ছেন।

সূত্রে আরও জানা গেছে,তার বাড়ি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় কিন্তু সে খুলনা শহরে তিন তলা আলিশান বাড়ি করেছে। তার চাকরি নিয়মিত করন এবং স্থায়ী হয় নাই তাহলে এত টাকার উৎস কি? প্রথমে তাকে খুলনায় বদলি করা হয়েছিল তার ফ্যামিলি খুলনায় থাকে তারপরও কি উদ্দেশ্যে এখানে বদলি হয়ে আসলেন? এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের।

এ ঘটনায় সাতক্ষীরা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোঃ মিজানুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,প্রশিক্ষক আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে।তদন্ত-পূর্বক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান এর নিকট বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি, পরবর্তীতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে গুরুত্বসহকারে তাহা প্রকাশ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর