1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
প্রদীপ ঘোষের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশে গাত্রদাহ শুরু, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য! ডুমুরিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১০০ কেজি অপদ্রব্য পুশকৃত চিংড়ি জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা টেকসই উন্নয়নের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে, কয়রায় বৃক্ষ মেলার উদ্বোধনকালে মনিরুল হাসান বাপ্পী  ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৪ ইউনিয়নে সবুজ বনায়ন কর্মসূচি,বৃক্ষরোপণ শুরু কয়রায় ফসল নষ্ট করে জমি জবর দখল চেষ্টার প্রতিকারে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন  জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার ও বিশ্ব বাস্তবতা সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের দায়ে কারাগারে জেলে পুশবিরোধী অভিযান: ১০০ কেজি চিংড়ি জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের নানাভাই বাহিনীর আত্মসমর্পণ তালায় বিলে অবৈধ বালু উত্তোলন, ৪ জনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

ভারত থেকে ফিরতে বাধা নেই বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ৯ জুন, ২০২৩
  • ১৩০ বার পঠিত

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক::

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ভারতে থেকে যে কোনো সময় দেশে ফিরতে পারবেন বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অনুপ্রবেশের মামলায় মেঘালয়ের শিলং জজ কোর্ট থেকে খালাস পাওয়ার প্রেক্ষাপটে তার এ সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতিক শাখার মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

রফিকুল ইসলাম বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সালাহউদ্দিন আহমেদের দেশে ফেরার আবেদন মঞ্জুর করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের গৌহাটিতে বাংলাদেশ মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আসাম থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য তাকে ট্রাভেল পাস দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে মিশনকে জানানো হয়েছে।

সালাহউদ্দিন কবে দেশে ফিরতে পারবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা তার ওপর নির্ভর করবে। তিনি যে কোনো সময় দেশে ফিরতে পারবেন।

পাসপোর্ট না থাকায় সালাহউদ্দিন দেশে ফিরতে ট্রাভেল পারমিটের জন্য গৌহাটিতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে আবেদন করেন। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার আবেদন মঞ্জুর করে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি গৌহাটিতে সহকারী হাইকমিশনকে জানায় বলে নিশ্চিত করেছেন রফিকুল ইসলাম।

২০১৫ সালের ১০ মার্চ ঢাকার উত্তরা থেকে নিখোঁজ হওয়া সালাহউদ্দিন আহমেদকে ৬৩ দিন পর ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ উদ্ধার করে। তাকে সেখানকার একটি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পরদিন তাকে শিলং সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী সালাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখায় মেঘালয় থানা পুলিশ। একই বছরের ২২ জুলাই ভারতের নিম্ন আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশের দায়ে অভিযোগ গঠন করা হয়।

সালাহউদ্দিন আহমেদ ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস ছিলেন। এরপর সরকারি চাকরি ছেড়ে তিনি রাজনীতিতে আসেন। ২০০১ সালে তিনি কক্সবাজার থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তিনি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হন।

ভারতে আটকের আগে বিএনপির মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করছিলেন সালাহউদ্দিন। দলের কর্মসূচি ও নেতা-কর্মীদের কাছে শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা গণমাধ্যমে পাঠানোর কাজ করতেন তিনি।

ভারতে আটকের সময় সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। এ অবস্থায়ই বিএনপির ষষ্ঠ কাউন্সিলে তাকে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর