1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান ‘একটু বেশি চালাকি’ করেছে : ট্রাম্প হরমুজে ভারতীয় ট্যাংকারে গুলি, ইরানি রাষ্ট্রদূতকে দিল্লির তলব ট্রাম্প একটু বেশিই কথা বলেন : ইরান অকটেনের দাম বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে জমি দখলের চেষ্টা , থানায় অভিযোগ খুলনায় পারিবারিক কলহে মাথায় রাইফেল ঠেকিয়ে কনস্টেবলের আত্মহত্যা! ডুমুরিয়ায় অধিকাংশ সবজির কেজি ৭০ টাকার ওপরে, কমছে মুরগির দাম মশ্বিমনগরের অসহায় নারীদের নিয়ে অ্যাড. এমএ গফুরের ভিন্নধর্মী আয়োজন সৈয়দপুরে সাড়ে ৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার, ৭ জনকে অর্থদন্ড সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে এলজিইডি অফিসে বসেই ঘুষ নিচ্ছেন হিসাব রক্ষক মুস্তাফিজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২
  • ১১৮ বার পঠিত

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক:


১৯৯৪ সালে পাবনার ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে হামলা ও গুলিবর্ষণের মাধ্যমে হত্যাচেষ্টা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাকারিয়া পিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (২৬ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ট্রেনযোগে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাওয়ার পথে ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বগি লক্ষ করে গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ওই ঘটনায় পাবনার ঈশ্বরদীর জিআরপি থানায় বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা হয়। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিআইডি ১৯৯৭ সালে সর্বমোট ৫২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। এর মধ্যে পাঁচজন আসামি মারা যাওয়ায় তাদের ওই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আর বাকি ৪৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালের ৩ জুলাই জাকারিয়া পিন্টুসহ ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৩ জনকে ১০ বছর মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

খন্দকার আল মঈন দাবি করেন, জাকারিয়ার নেতৃত্বে ঈশ্বরদীতে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, মারামারিসহ বিভিন্ন অরাজকতা চলতো। প্রথমে ১৯৮৮ সালে ও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ততায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। সেসব মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি এলাকা ত্যাগ করে ২০০৪ সাল থেকে ঢাকার মিরপুরে বসবাস শুরু করেন। তার পরিবার ঢাকায় থাকলেও তিনি নিয়মিত ঈশ্বরদীতে যাতায়াত করতেন। তিনি ২০১৫ সালে ঈশ্বরদীতে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং পরাজিত হন।

র‍্যাব আরও জানায়, পিন্টু ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদীতে চম্পা হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামি। এ ছাড়া ২০০৯ সালে ঈশ্বরদীতে আজম হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাবরণ করেন। পরে ২০১১ সালে অস্ত্রসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে কুষ্টিয়া ভেড়ামারা থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় তিনি তিন মাস কারাভোগ করলেও পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফেরারি হন। সে মামলায় আদালত তাকে ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এ ছাড়া ২০১২, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে আধিপত্য বিস্তার, বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও ধ্বংসাত্বক কর্মকাণ্ডের জন্য তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা হয়। এ পর্যন্ত তার নামে একটি মৃত্যুদণ্ড ও একটি ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা পরোয়ানা ছাড়াও বিভিন্ন অপরাধে ছয়টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সর্বমোট ১৯টি মামলা রয়েছে।

দীপ্ত নিউজ/শেখ দীন মাহমুদ

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর