1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ সন্তোষজনক নয়: আবু তালহা তোফায়েল কয়রায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পাইকগাছায় নদীর উপর কাঠের সাঁকো ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দু’টি গ্রাম কয়রায় ১ শ গ্রাম গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ ১ জন আটক পাইকগাছায় বসতি এলাকা ও কৃষি জমিতে লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ বন্ধে গোলটেবিল বৈঠক আটকে পড়ারা পাকিস্তানি নয়, আমরা উর্দূভাষী বাংলাদেশি’ হিসেবে স্বীকৃতি চাই: সৈয়দপুরে মানববন্ধনে উর্দূভাষীরা কয়রায় দ্রুতগতির মোটর সাইকেলের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু, আহত ৩ নতুন 4G WiFi রাউটার আনল টেলিটক, প্যাকেজে আরও যা থাকছে সরকারি টেলিটক সিমে আনলিমিটেড মেয়াদের ডাটা প্যাকেজ ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন শিশুসহ ১৮ বাংলাদেশি

খুলনায় যমুনা টিভির সাংবাদিক রাশেদ নিজামকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪
  • ৭২ বার পঠিত
khulna-jamuna-9499

নিজস্ব প্রতিবেদক::


খুলনা জেলা পরিষদে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি রাশেদ নিজামকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ এবং খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভূক্তভোগী সাংবাদিক রাশেদ নিজাম। তবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান।

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, খুলনার চুকনগরে জেলা পরিষদের জায়গায় মার্কেট নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে দোকান বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে। যার বড় অংশের সঙ্গে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান জড়িত আছে মর্মে জানতে পারি। আমি ক্যামেরাম্যানসহ আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলা পরিষদে তার কক্ষে সাক্ষাৎকার নিতে যাই। এসময় তিনি হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে আমাকে এবং আমার ক্যামেরাম্যানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।এক পর্যায়ে তিনি ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন এবং ক্যামেরার মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে এবং আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আমি এবং আমার টিমের লোকজন সামাজিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

অভিযোগ অস্বীকার করে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, লাঞ্ছিতের কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, এমন কোন ঘটনা ঘটেনি। নেগেটিভলি আমাদের বিরুদ্ধে আসছে ওরা। তাই তারা একটা মিথ্যা কথা বলে পজিশন ক্রিয়েট করছে বলেও দাবি তার।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর