1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কয়রায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপন পাইকগাছায় লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত বেনাপোলে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হাকর নদীটি প্রভাবশালীদের দখলে মাছ চাষ করছে ভেড়িবাঁধ দিয়ে কয়রায় মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটিতে আ’লীগ নেতার স্ত্রী সভাপতি, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় প্রাথমিকের ফিডিং কর্মসূচী মিড ডে মিলে’র খাদ্য অনিয়মের প্রমান পেয়েছে কতৃপক্ষ, ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ সাংবাদিকের ভাইয়ের মুত্যুতে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক ডুমুরিয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুতি সভা খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ থাকায় ১৭ বছর সংস্কার হয়নি ছাত্রী নিবাস মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরে সিএনজি-পিকআপ সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ আহত ৭

ভারতের মণিপুরে সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৬ মে, ২০২৩
  • ১০৬ বার পঠিত

দীপ্ত নিউজ ডেস্ক:

গত ৩ দিনের জাতিগত সহিংসতায় ভারতের মণিপুর রাজ্যে  নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে ওই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।

বিজেপি শাসিত মণিপুর সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সহিংস পরিস্থিতিতে আটকে পড়া বিভিন্ন রাজ্যের নাগরিকদের উদ্ধারে সচেষ্ট হবে জানিয়ে দু’টি ‘হেল্পলাইন নম্বর’ টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি লিখেছেন, আমরা মণিপুর থেকে যে ধরনের বার্তা পাচ্ছি তাতে গভীরভাবে ব্যথিত। আমি মণিপুরের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত নাগরিকেরাও এখন সেখানে আটকে পড়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার জনগণের পাশে দাঁড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও মণিপুর সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সেখানে আটকে পড়া লোকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মণিপুরি ছাত্র সংগঠন ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অব মণিপুর’ (এটিএসইউএম) বুধবার আন্দোলনকারী মেইতেই জনগোষ্ঠীর দাবির বিরোধিতা করে একটি মিছিল বের করে। সেখান থেকেই মণিপুরের ৮টি জেলায় সহিংসতা ছড়ায় বলে অভিযোগ। সম্প্রতি মণিপুর হাইকোর্ট মেইতেইদের তফসিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারকে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এর পরেই জনজাতি সংগঠনগুলো তার বিরোধিতায় পথে নামে। আর সেখান থেকেই সংঘাতের সূচনা।

মূলত সমতল এলাকার বাসিন্দা মেইতেইরা মণিপুরের বৃহত্তম জনগোষ্ঠী। অন্যদিকে, কুকি, অঙ্গামি, লুসাই, নাগা, থাড়োয়াসের মতো প্রায় ৩০টি জনজাতি গোষ্ঠীর বাস পাহাড়ি এলাকায়। তাদের আশঙ্কা, জনজাতির মর্যাদা পেলেই পাহাড়ি এলাকার জমিতে হাত বাড়াবে মেইতেইরা। এখন জনজাতির মর্যাদা না পাওয়ায় তারা ওই জমি কিনতে পারে না। (তথ্য সূত্র: পূর্বপশ্চিমবিডি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর