1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
হরিঢালী বালিকা মা: বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্য, অভিযুক্ত শিক্ষকের লিখিতভাবে দায় স্বীকার পাইকগাছায় জমি দখল ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন পরিকল্পিত সন্ত্রাস, পাইকগাছায় বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত সৈয়দপুরে এ্যাডভোকেট তুষার কান্তি রায়ের স্মরণে নাগরিক শোক সভা সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি,সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কেশবপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা শেকড়ের সন্ধানের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উদযাপিত এম জালাল সভাপতি, আঃ কাদির সেক্রেটারি; পূর্বপাড়া জামে মসজিদের কমিটি গঠন খুলনায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ২ সৈয়দপুরে সাংবাদিক রুহুল আমীন গাজীর মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল

অব্যাহত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কপিলমুনি ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪০৮ বার পঠিত
kapilmuni-pic-10952

নিজস্ব প্রতিবেদক ::


খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব গণি গাজীর পর এবার প্যানেল চেয়ারম্যান (চ.দা.) ইউনুস আলীসহ একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ হয়েছে।

যদিও এসব অভিযোগের কোন ভিত্তি বা সত্যতা নেই বলে দাবি করা হচ্ছে প্যানেল চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পক্ষে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রসঙ্গে দাবি করা হচ্ছে, সাবেক ইউপি সচিব গণি গাজী পরিষদের এক গ্রাম পুলিশকে দিয়ে বিভিন্ন কাগজ-পত্রে ভূয়া বা জাল স্বাক্ষর করিয়ে তা বিভিন্ন দপ্তরে পাঠিয়ে তাকে হয়রাণি করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
কখনও সচিব আবার কখনও জনপ্রতিনিধিদের পরষ্পর বিরোধী অভিযোগে রীতিমত ইউনিয়নবাসীর মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এসব অভিযোগ নিয়ে শনিবার সকালে কপিলমুনি ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুস আলী মোড়ল ইউনিয়ন পরিষদে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

এসময় তিনি তার লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, পরিষদের সচিব মো: গণি গাজীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা দূর্নীতি-অনিয়মের প্রতিবাদ ও তার কাছে পরিষদের আয়-ব্যায়ের হিসাব চাওয়ায় তিনিসহ তার পরিষদের সকল সদস্য-সদস্যাদের বিরুদ্ধে অসদাচারণ ও নানা বানোয়াট অনিয়মের অভিযোগ আনায়ন করেন। এমনকি পরিষদে ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের সাথেও অসদাচারণ ও অবৈধ অর্থ লেন-দেন করেন। এনিয়ে সম্প্রতি পরিষদের ১০ জন সদস্য একযোগে ইউএনও, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার পরিষদ শাখায় লিখিত অভিযোগ করায় সম্প্রতি তাকে জেলার কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদে বদলী করা হয়েছে।

এদিকে তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ কপিলমুনি পরিষদে অবস্থানকালীণ আওয়ামী লীগের মনোনীত ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দারের সাথে যোগসাজসে বিভিন্ন দূর্নীতি-অনিয়মের সাথে সম্পৃক্ত থেকে মোটা অংকের টাকা তয়রুপ করেছেন। যার হিসাব ও নতুন সচিবকে দায়িত্ব বুঝে না দিয়ে তিনি অন্যত্র বদলী জণিত যোগদান করেছেন। বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তিনি বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন হয়রাণিমূলক অভিযোগ করাচ্ছেন। এমনকি মসজিদের সংষ্কার বাবদ ভূয়া প্রকল্পে অর্থ উত্তোলন দেখিয়ে তাতে তার (ইউনুসের) স্বাক্ষর জাল করে অভিযোগপত্র দাখিল করে হয়রাণি ও স্থানীয় সাধারণের কাছে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করছে। সম্মেলনে দাবি করা হয় প্রকৃত পক্ষে এমন প্রকল্পই দেওয়া হয়নি তাই অর্থ উত্তোলনের প্রশ্নই আসেনা। এছাড়া গ্রাম পুলিশ উজ্জল কুমার দালাল স্বীকার করেছেন যে, সাবেক সচিব গণি গাজী তাকে হুমকি-ধামকি ও ভূল বুঝিয়ে চেযারম্যানের স্বাক্ষর নকল করতে তাকে বাধ্য করে।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে হাউলি খাল, গেটের খাল, পুণ:সংষ্কার বাবদ ৫লাখ টাকা, হাউলি গেট হতে হাড়িয়া নদী পর্যন্ত ৪ মে:টন গম, ২২-২৩ অর্থ বছরে কাবিখা প্রকল্প বাবদ নদী খনন ও নাবা ওয়াপদার কালভার্ট হতে নাবার খাল অভিমুখে পূণ:খনন বাবদ ৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার কাজ না করে কিংবা আংশিক করে সমুদয় অর্থ উত্তোলন করে আতœসাৎ করেন। সেসব প্রকল্প অন্যান্যদের বরাদ্দ দিয়ে সচিব ও চেয়ারম্যান পরষ্পর যোগসাজশে তার (প্যানেল চেয়ারম্যান) ও অপর দু’ সদস্যের নামে উত্তোলন দেখিয়েছেন। যদিও তাদের কোথাও কোন স্বাক্ষর নেই বলে দাবি করা হয়।

এছাড়া ২৭/১১/২৪ তারিখে প্রতাপকাটি দ:পাড়া মসজিদ সংষ্কার বাবদ ও হাউলী পূর্বপাড়া জামে মসজিদ বাবদ ৫১ হাজার টাকা সচিবের কাছ থেকে আমার স্বাক্ষর করে টাকা গ্রহনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে মসজিদের নামে কোন বরাদ্দই দেওয়া হয়নি। তাই টাকা গ্রহনের প্রশ্নই আসেনা। গত ৭/১২/২৪ তারিখে ট্যাক্স ও ট্রেড লাাইসেন্সের টাকা হতে ১ লাক ২৫ হাজার টাকা, সরকার প্রদত্ত ৬০টি পানির ট্যাংকি বাবদ টাকা উত্তোলনের বিষয়গুলিও বানোয়াট।

মূলত তিনি দায়িত্বভার গ্রহনের পর অদ্যাবধি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব দায়িত্বভার বুঝে না দেওয়ায় অপারেটর পরিবর্তন করা হয়নি। সেখান থেকে কোন টাকা উত্তোলন হলে তা সাবেক সচিব গণি গাজীই ভাল বলতে পারবেন। এছাড়া তার অপর সদস্য শেখ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে স্কুলের গাছ বিক্রি ও টিআর প্রকল্পের টাকা আতœসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা বনোয়াট ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিষয়টি ইউপি চেযারম্যান কওছার আলীর তত্ববধায়নে গত বছর গাছ কর্তন ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির তত্ত্বাবধাযনে সুষ্ঠুভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও চেয়ারম্যান কওছার আলী ও তার দোসর সচিব গণি গাজী তার দায়ভার অন্যদের উপর চাপানোর অপচেষ্টা করছেন।

তিনি সামগ্রিক ঘটনার প্রতিবাদ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ করেন।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে ইউপি সদস্য শেখ রবিউল ইসলাম, এ,এস,এম মুস্তাফিজুর রহমান মিন্টু, ছখিনা বেগমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর