1. sheikhnadir81@gmail.com : admin :
  2. tapon.tala@gmail.com : Tapon Chakraborty :
  3. bdtiu7t93g@outlook.com : wpp9nopr :
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
খুলনা বিভাগের সবচেয়ে প্রাচীণ কপিলমুনি কলেজ সরকারিকরণ হয়নি প্রতিষ্ঠার ৬০ বছরেও খুলনায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত মাদক ও অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে আইন পাস করা হয়েছে -আইন মন্ত্রী কয়রায় মাস ব্যাপি রাত্রিকালিন ফু্টবল খেলার উদ্বোধন করলেন ইঞ্জিঃ শোভন ‎কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা সাতক্ষীরার বিচার বিভাগের সমস্যা দ্রুতই সমাধান করা হবে: আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে: সৈয়দপুরে মাদকবিরোধী সভায় বিলকিস ইসলাম এমপি  সাতক্ষীরা পৌর ভূমি অফিসে সুমির বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য, আতঙ্কে সেবা প্রত্যাশীরা! কয়রায় পুত্রের অপকর্মের প্রতিবাদে পিতার সংবাদ সম্মেলন সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় পরিবহনের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পথযাত্রী নিহত

চলে গেলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২
  • ১৫৮ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক:


বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে লন্ডনে মারা যান তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক স্বদেশ রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়ার চৌধুরীবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। তার বাবা হাজী ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা জহুরা খাতুন। ১৯৫০ সালে গাফফার চৌধুরী পরিপূর্ণভাবে কর্মজীবন শুরু করেন। এ সময়ে তিনি ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। মহিউদ্দিন আহমদ ও কাজী আফসার উদ্দিন আহমদ তখন ‍‘দৈনিক ইনসাফ’ পরিচালনা করতেন। ১৯৫১ সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ প্রকাশ হলে গাফফার চৌধুরী সেখানে অনুবাদকের কাজ নেন। এরপর তিনি বহু পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন।

মাসিক সওগাত, দিলরুবা, মেঘনা, ইত্তেফাক, আজাদ, জেহাদ ও পূর্বদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন বরেণ্য এই সাংবাদিক। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলা হয়ে কলকাতা পৌঁছান। সেখানে মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র সাপ্তাহিক জয়বাংলায় লেখালেখি করেন। এ সময় তিনি কলকাতায় দৈনিক আনন্দবাজার ও যুগান্তর পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক জনপদ বের করেন।

১৯৭৩ সালে তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলজিয়ার্সে ৭২ জাতি জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যান তিনি। দেশে ফেরার পর তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে কলকাতা নিয়ে যান। সেখানে সুস্থ না হওয়ায় তাকে নিয়ে ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে যান। এরপর তার প্রবাসজীবনের ইতিহাস শুরু হয়।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, ছোটদের উপন্যাসও লিখেছেন তিনি। ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘সম্রাটের ছবি’, ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’, ‘বাঙালি না বাংলাদেশী’সহ তার প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা প্রায় ৩০। এছাড়া তিনি কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ নাটক লিখেছেন। এর মধ্যে আছে ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ’, ‘একজন তাহমিনা’ ও ‘রক্তাক্ত আগস্ট’।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গাফফার চৌধুরী। ১৯৬৩ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ আরও অনেক পদকে ভূষিত হয়েছেন।

দীপ্ত নিউজ/এসডিএম

17422

সংবাদটি শেয়ার করুন

একই বিভাগের সকল খবর